কারওয়ান বাজারে যে সবজি ২০ টাকা, অন্যখানে ৪০

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
১৬ জুন, ২০১৭ ১৫:৫৪:৪১
#

রমজানের মাঝামাঝি সময় থেকে বাজারে সবজির দাম সামান্য কমলেও এখনো সিটি করপোরেশনের প্রদর্শিত মূল্য তালিকার দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার হাতিরপুল কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা মেলে এমন চিত্র। 


বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রদর্শিত মূল্য তালিকায় প্রতি কেজি পটল ২০ থেকে ২৪ টাকা পাইকারি মূল্য হলেও যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ থেকে ২৯ টাকা। কিন্তু হাতিরপুল বাজারে বিক্রেতারা প্রতি কেজি পটল বিক্রি করছেন ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়।


একই ভাবে শশার যৌক্তিক মূল্য ১২ থেকে ২০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪৪ থেকে ৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হলেও তা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে, ধনে পাতা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা দরে, কাঁচা পেঁপের যৌক্তিক মূল্য ৩৪ থেকে ৩৬ টাকা হলেও ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। 


এ ছাড়া শুকনা মরিচের যৌক্তিক মূল্য ১১০ থেকে ১৩২ টাকা নির্ধারণ করা হলেও তা ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, আলু ১১ থেকে ১৩ টাকা হলেও বিক্রি হচ্ছে ১৬ থেকে ২০ টাকা, খোলা খেজুর ৭৭ থেকে ৮৮ টাকার মধ্যে বিক্রি হওয়ার কথা থাকলেও তা ১৫০ থেকে ৭৫০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে। 


সাইদুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা জানান, সিটি করপোরেশনের মূল্য তালিকার কোনো ভিত্তি নেই। দোকানিরা নিজেদের মতো দাম হাঁকান, আমরাও দরাদরি করে উপযুক্ত দামে বাজার করার চেষ্টা করি। তিনি জানান, যে সবজি কারওয়ান বাজারে ২০ টাকা করে বিক্রি হয়। সেই একই সবজি এখন থেকে কম পক্ষে ৩৫ টাকায় কিনতে হয়।


নাজমুল হুসাইন নামে আরেক ক্রেতা জানান, মূল্য তালিকা শুধু নামে। এ তালিকার দরে কিছুই বিক্রি হয় না। বরং দ্বিগুণ দামে বিক্রি হয়। 


সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত মূল্য তালিকা থাকার পরও কেন উচ্চ দামে সবজি বিক্রি করা হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে হাতিরপুল বাজারের বিক্রেতা সাইফুল বলেন, ‘সিটি করপোরেশন পাইকারি মূল্য থেকে ৪ থেকে ৫ টাকা বাড়িয়েই দর নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু এর পরও আমাদের দোকান ভাড়া, পণ্য পরিবহন খরচ, কর্মচারীর বেতন দিতে হয়।’ 


বাজার ঘুরে আরো দেখা যায়, করলা প্রতি কেজি ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৩৫ টাকা, কচুরমুখী ৫০, দুন্দল ৪৫, ঝিঙ্গা ৪০, টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা, কাকরোল ৪০ টাকা, কচুর লতি ৫০ টাকা, চাল কুমড়া ২৫ থেকে ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, চিচিংগা ৩৫ টাকা, মূলা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


এমএনজে

Print