নড়াইলে টিসিবি’র পণ্য পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ

নড়াইল করেস্পন্ডেন্ট
টাইম নিউজ বিডি,
১৮ জুন, ২০১৭ ১৮:৩৩:০৬
#

নড়াইলে সাধারণ মানুষ টিসিবির পণ্য ক্রয় হতে বঞ্চিত হচ্ছেন। জেলার তিনটি উপজেলায় ডিলারদের মালামাল বিক্রির কোনো কার্যক্রম না থাকায় সাধারণ মানুষ বাজার থেকে বেশি দামে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করছেন বলে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ভুমিকা রহস্যজনক।


জানা যায়, জেলায় টিসিবির মোট ২১জন ডিলার আছেন। নিয়মানুযায়ী টিসিবির পণ্য উত্তোলনের পর স্থানীয় প্রশাসনকে জানাতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট স্থানে লাল সালু দিয়ে ব্যানার তৈরী করে নির্ধারিত মূল্য তালিকা লিখে প্রকাশ্যে পণ্য বিক্রি করতে হবে। কিন্তু জেলার কোথাও লাল সালুর ব্যানার দিয়ে টিসিবি’র মাল বিক্রি করতে দেখা যায়নি। এমনকি শোনাও যায়নি। ডিলাররা আদৌ মালামাল বিক্রি করছেন কি-না, তা তদারকির দায়িত্ব জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ওপর থাকলেও তাদের তেমন কোন ভুমিকা নেই।


টিসিবির খুলনা আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা যায়, নড়াইল জেলায় ২১জন ডিলার টিসিবির মালামাল উত্তোলন করেছেন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৭ জন, লোহাগড়ায় ৮ জন ও কালিয়ায় ৬ জন। নড়াইল সদর উপজেলায় যারা ডিলারশীপ পেয়েছেন, তারা হলো দীপ এন্টারপ্রাইজ, বিপি এন্টারপ্রাইজ, সুমন বাণিজ্য ভান্ডার, ওয়াহিদুজ্জামান এন্টারপ্রাইজ, আবুল হাসান বিশ্বাস ট্রেডার্স, শেখ প্রান্তর ও মারজানা এন্টারপ্রাইজ।


লোহাগড়ায় উপজেলার ডিলাররা হলো-মোল্লা  ট্রেডার্স, মেসার্স নিশাত এন্টারপ্রাইজ, ঘোষ এন্টারপ্রাইজ, খান  ট্রেডার্স, সরকার এন্টারপ্রাইজ, কুন্ডু ট্রেডার্স,আশিক এন্টারপ্রাইজ ও শেখ পান্না এন্টারপ্রাইজ এবং কালিয়ায় বিশাল এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স মোস্তফা এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স মোল্লা অ্যান্ড সন্স, চাচুড়ি  মোল্লা ট্রেডার্স, পিয়াস এন্টারপ্রাইজ ও লিয়া এন্টারপ্রাইজ।


গত এক সপ্তাহ ধরে জেলার তিনটি উপজেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে পবিত্র রমজান মাসের শেষ পর্যায়েও টিসিবির পণ্য বিক্রির কোনো দোকান চোখে পড়েনি। তবে জেলা শহরে একটি ট্রাকে করে দু’একদিন মেসার্স শেখ প্রান্তর এন্টারপ্রাইজের ব্যানারে টিসিবির মালামাল বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে মেসার্স শেখ প্রান্তর এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে মালামাল বিক্রয়ে দুর্ণীতি অনিয়মের অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।


জেলা মার্কেটিং কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম জানান, নড়াইল সদর উপজেলায় ৩ জন ও কালিয়ায় ১ জন ডিলার টিসিবির পণ্য তুলেছেন। তবে লোহাগড়ার কোনো ডিলার টিসিবির পণ্য তোলেননি। জেলা প্রশাসক মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


হুমায়ুন/এমই

Print