মগবাজার-মৌচাক-মালিবাগ উড়ালসড়ক খুলছে ২৬ অক্টোবর

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
১৯ অক্টোবর, ২০১৭ ১৯:৩১:১৯
#
নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে অবশেষে ২৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার যান চলাচলের জন্য পুরোপুরি খুলছে মগবাজার-মৌচাক-মালিবাগ সমন্বিত উড়ালসড়ক। ওইদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এটির উদ্বোধন করবেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও উড়াল সড়কটির প্রকল্প পরিচালক সুশান্ত কুমার পাল। 

তিনি জানান, উড়াল সড়কের এখন চলছে ধোয়ামোছা, রঙ, বিদ্যুতের খুঁটি ও বাতি লাগানোর মতো শেষ পর্যায়ের কাজ। এছাড়া সমন্বিত এ উড়াল সড়কের নিচের সড়কের সংস্কার কাজও কোনো কোনো স্থানে শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, চার লেনের উড়ালসড়কটি ৬টি মোড় অতিক্রম করেছে। এগুলো হলো সাতরাস্তা, বিএফডিসি, মগবাজার, মৌচাক, শান্তিনগর ও মালিবাগ মোড়। এর মধ্যে মগবাজার, মালিবাগ ও কাওরান বাজারের রেললাইন অতিক্রম করেছে এই উড়ালসড়ক প্রকল্প।

আর এই উড়াল সড়কটি তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। একটি অংশ সাতরাস্তা-মগবাজার-হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল। এটি নির্মাণ করেছে নাভানা কনস্ট্রাকশন। গত বছরের মার্চ মাসে এ অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়।

গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর  নিউ ইস্কাটন থেকে মৌচাক পর্যন্ত উড়ালসড়কের এক দিক খুলে দেয়া হয়। এই অংশ নির্মাণ করেছে তমা কনস্ট্রাকশন। তৃতীয় ধাপে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) মোড় থেকে কাওরান বাজার অংশ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয় গত ১৭ মে।

এই অংশও তৈরি করেছে নাভানা কনস্ট্রাকশন। এখন খুলে দেয়ার অপেক্ষায় আছে উড়ালসড়কের মৌচাক-মালিবাগ-শান্তিনগর-রাজারবাগ-মগবাজার অংশ। এটা নির্মাণ করেছে তমা কনস্ট্রাকশন। 

২০১৩ সালের ফেব্রয়ারিতে প্রায় নয় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সমন্বিত উড়ালসড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৪ সালের ডিসেম্বর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর মধ্যে কয়েক দফায় প্রকল্পের সময় বাড়ানো হয়।  

চার লেনের এ ফ্লাইওভারে ওঠানামার জন্য ১৫টি র‌্যাম্প রয়েছে। তেজগাঁওয়ের সাতরাস্তা, এফডিসি, মগবাজার, হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, বাংলামটর, মগবাজার, মালিবাগ, রাজারবাগ পুলিশ লাইন এবং শান্তিনগর মোড়ে ওঠানামা করার ব্যবস্থা রয়েছে।  

দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তির সমাধানে রাজধানীতে ফ্লাইওভার নিমার্ণের উদ্যেগ নেয়া হয়। এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ফ্লাইওভারও নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে।

সবচেয়ে বড় ফ্লাইওভারটি নির্মাণ করা হয় গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার। এটির দৈর্ঘ্য ১০ কিলোমিটার। এরপরই মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার। 

এমএ

Print