টক দইয়ের যত গুণ

টাইম ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২২:৩৪:১৬
#

পৃথিবীতে বেশ কিছু খাদ্য আছে, যা একই সাথে শত গুণের আধার। তেমনই একটা খাদ্য হচ্ছে ‘টক দই’। টক দই একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও হেলদি খাবার, কারণ এতে আছে দরকারী ভিটামিন, মিনারেল, আমিষ ইত্যাদি। এই টক দই আমাদের শরীরের জন্য নানা ধরনের কাজ করে থাকে।


নিয়মিত টক দই খেলে তা দেহকে নানাভাবে উপকার করে। টক দইয়ে থাকে অসংখ্য ব্যাকটেরিয়া যা স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। এতে দুধের চেয়েও বেশী ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম ও পটাশ আছে। নিয়মিত টক দই খাওয়া শুরু করলে তার ফল পাওয়া যায় তড়িৎ গতিতে। সেকারণেই ডাক্তার বা পুষ্টিবিদেরা সবসময়ই টক দই খেতে পরামর্শ দেন।


অনেক সময় আমরা বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যাই ভুগে থাকি। অনেক ওষুধ খেয়েও হয়তো মেলে না রোগমুক্তি।কিন্তু আপনি কি জানেন টক দই আপনাকে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।


আসুন জেনে নেই টক দইয়ের গুণ


উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ
সাধারণত উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটি এখন অহরহ দেখা দিয়েছে। টক দই উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই উচ্চরক্তচাপের সমস্যায় টক দই খেতে পারেন।


দাঁতের সুরক্ষা
দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায় খেতে পারেন টক দই। টক দই ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিনের অনেক ভালো একটি উৎস।


কোষ্ঠকাঠিন্য
হজম সমস্যা প্রতিরোধে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে টক দইয়ের জুড়ি নেই। তাই হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে নির্ভয়ে খেতে পারেন টক দই।


ইস্ট ইনফেকশন প্রতিরোধ
টক দইয়ে রয়েছে ল্যাক্টোব্যাসিলাস অ্যাসিডোফিলাস, যা ইস্ট ধ্বংস করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন মাত্র ৬ আউন্স টক দই দূর করবে ইস্ট ইনফেকশনের সমস্যা।


কোলন ক্যান্সার
টক দই কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ল্যাক্টোব্যাসিলাস নামক যে ব্যাকটেরিয়া টক দইয়ে রয়েছে তা কোলনে ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়ায় যা কোলনের প্রতিরক্ষায় কাজ করে। এই ভালো ব্যাকটেরিয়া খারাপ মাইক্রোঅর্গানিজম ধ্বংস করে।


হাড়ের সমস্যা
টক দইয়ের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ আমাদের হাড়ের গঠন মজবুত করতে সহায়তা করে। এবং হাড়ের নানা সমস্যাজনিত রোগ-প্রতিরোধে সাহায্য করে।


শরীরে শক্তি যোগায়
এর পুষ্টি উপাদানগুলো হজমের সময় তাড়াতাড়ি শরীরে শোষিত হয়ে দ্রুত শরীরকে শক্তি দেয়।


সতর্কতাঃ
১। দইয়ে স্ট্রেপটোক্কাস থার্মোফিলাস নামে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। যাদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে তারা দই খেলে গলার স্বর ভেঙে যেতে পারে।


২। সর্দি থাকলে দই খেলে বেড়ে যেতে পারে। এটা শুধু ঠাণ্ডা দইয়ের বেলায় নয়, সাধারণ তাপমাত্রায় থাকা দইয়েও এ সমস্যা হতে পারে।


৩। টক দই রাতে খাওয়া ঠিক নয়।


৪। দই খাওয়ার পর কোনো কোমল পানীয় পান করা উচিত নয়। এতে দইয়ের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।


এএস


 


 

Print