রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে ইরানের প্রতীকী আদালতের বিচারকের একান্ত সাক্ষাতকার (ভিডিও)

মো: কামরুজ্জামান (বাবলু)
টাইম নিউজ বিডি,
০২ এপ্রিল, ২০১৮ ২১:৩৮:৫৩
#

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত করতে মিয়ানমারের সব বৌদ্ধ সম্প্রদায় একযোগে কাজ করছে। চরমপন্থী বা উদারপন্থী- সব বৌদ্ধরাই দেশটির রাখাইন প্রদেশে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর চালানো গণহত্যাকে সমর্থন করে যাচ্ছে।


অপরদিকে, অসহায় রোহিঙ্গাদের রক্ষা করতে একযোগে কাজ করার ব্যাপারেও সব মুসলিম দেশ এক হতে পারেনি। এমনকি তাদেরকে আশ্রয় দেয়ার ব্যাপারেও রয়েছে নানা বিতর্ক। অপরদিকে, এশিয়ার দুই পরাশক্তি চীন ও ভারত রোহিঙ্গা ইস্যুতে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের পক্ষাবলম্বন করে দেশটির ঐক্যবদ্ধ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিরাগভাজন হতে চায়নি। কারণ দুই দেশই দেশটিকে নিয়ন্ত্রন করতে চায়।


যদিও এই মুহুর্তে দেশটির চীনের একচ্ছত্র আধিপত্য বিদ্যমান। কিন্তু তা সত্ত্বেও হিন্দুত্ববাদী ভারত সংখ্যালঘু মুসলমানদের পক্ষ নেয়াকে যুক্তিযুক্ত মনে করেনি। তাই এমন নৃশংষ গণহত্যার পরও দুই দেশ কার্যত নিরব ভূমিকা পালন করে।


এছাড়া, পশ্চিমাবিশ্ব সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেনি। কারণ যারা মারা গেছেন বা যাদের ওপর গণহত্যা ও জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালানো হয়েছে তারা মুসলমান। আর মুসলমানদের যে কোনো ইস্যুকে ভিন্নভাবে দেখা পশ্চিমা বিশ্ব ও তাদের সহায়ক শক্তির প্রবনতা হয়ে গেছে।


ইরানের প্রতীকী আদালতের বিচারক অধ্যাপক ড. মাইমুল আহসান খানের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতে এসব তথ্যই উঠে আসে। সাক্ষাতকারটি গ্রহণ করেছেন টাইমনিউজবিডির প্ল্যানিং এডিটর মো: কামরুজ্জামান (বাবলু)।


উল্লেখ্য, ইরানের ইমাম সাদিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গা গণহত্যা বিষয়ে চলতি (২০১৮) সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতীকী আদালতে শুনানি হয়। শুনানি শেষে সাত সদস্যের বিচারিক প্যানেল মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুকিকে ১৫ বছরের এবং দেশটির সেনা প্রধান মিন হ্লেইনকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।  


কেবি


Print