লোকসানের পথে চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
০৫ এপ্রিল, ২০১৮ ১৯:০৮:৪৩
#

এ মৌসুমে সক্ষমতার এক তৃতীয়াংশ চিনিও উৎপাদন করতে পারেনি সরকারি ১৫টি কল।


দুই লাখ ১০ হাজার টন উৎপাদন ক্ষমতার বিপরীতে মিলেছে সাড়ে ৬৮ হাজার টন। যা দেশীয় চাহিদার মাত্র ৪ শতাংশ। ফলে এবারও মোটা অঙ্কের লোকসানের পথে চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, করের টাকায় ভর্তুকি দেয়া বন্ধ করতে হবে শিগিগিরই।


আখ থেকে মিষ্টি চিনি উৎপাদনের প্রতিটি অধ্যায়ে যেন ছড়িয়ে আছে অসংখ্য তেঁতো গল্প। কারণ, সরকারি ১৫টি কল যতোটা না স্বস্তি দিচ্ছে অর্থনীতিকে, ভোগাচ্ছে তার চেয়েও বেশি। যেমন সাড়ে তিন মাসেরও কম সময়ে কাঁচামাল সঙ্কটে গেলো পয়লা মার্চ বন্ধ করে দেয়া হয় নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল।



এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ১ লাখ ৬৭ হাজার টন আখ মাড়াই করে চিনি উৎপাদন করতে পেরেছে ১১ হাজার টনের কিছু বেশি। অথচ নিজস্ব খরচ মেটাতে গেলে কল চালাতে হবে চার মাসের বেশি। সেই সাথে চিনির উৎপাদনও ছাড়াতে হবে ১৫ হাজার টন।


কিন্তু, সে কাজটি করতে পারছে না অন্যতম বড় এই প্রতিষ্ঠান। ফলে বরাবরের মতো এবারও হাত পাততে হবে সরকারের কাছে। খাদ্য ও চিনি করপোরেশনের হিসাবে ১৫ টি কলে দৈনিক আখ মাড়াইয়ের ক্ষমতা ২১ হাজার টনের বেশি।


আর চিনি আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ৮ শতাংশ ধরে বছরে উৎপাদন ক্ষমতা ২ লাখ সাড়ে দশ হাজার টন। অথচ এই ক্ষমতার শতভাগ তো দূরের কথা গেলো এক দশকে একবার মাত্র পৌঁছানো গেছে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকে। যা সবচেয়ে কম ছিল ২০১৬-১৭ মাড়াই মৌসুমে মাত্র ৫৬ হাজার টন।


তবে চলতি মৌসুমে উৎপাদন ১০ হাজার টনের মতো বাড়লেও তা ছিল মোট ক্ষমতার এক তৃতীয়াংশের নিচে। এ বছর সবচেয়ে কম চিনি পাওয়া গেছে কুষ্টিয়া চিনিকল থেকে দুই হাজার টনের কম। যা প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন ক্ষমতার মাত্র ১২ শতাংশ।


এএস

Print