দুই জেলায় বজ্রপাতে নিহত ৬

টাইম ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
২৩ এপ্রিল, ২০১৮ ১৪:১৯:১৯
#

কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জের চারটি উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতে ছয়জন নিহত হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেলে এসব ঘটনা ঘটে।


এর মধ্যে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় বোরো ধান কাটার সময় পৃথক বজ্রপাতে আবদুর রাশীদ (৩৫) ও তৌহিদ মিয়া (২৭) নামের দুই কৃষি শ্রমিকের মৃত্যু হয়।


বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান বলেন, রোববার বিকেলে উপজেলার মাইজচর কাটাবন ও বাহেরবালী হাওরে পৃথক বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই দুজন মারা যায়। নিহত দুজনের মধ্যে আবদুর রাশিদ নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার আবদুল মজিদের ছেলে এবং তৌহিদ মিয়া বাজিতপুর উপজেলার বাহেরবালি গ্রামের ছমেদ মিয়ার ছেলে বলে তিনি জানান।


অপরদিকে মিঠামইন উপজেলায় বৈরাটি গ্রামে বাড়ির উঠানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে রূপচাঁন আক্তার (৬০) নামে এক গৃহবধূ ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ সময় তাঁর স্বামী ফরহাদ চৌধুরী আহত হয়।


মিটামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ফরহাদ চৌধুরী বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।


বিকেলে হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় হাওরে কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন দুই কৃষক। একই সময় জেলার বানিয়াচং উপজেলায় বজ্রপাতে মারা গেছে এক কিশোর।


নিহত ব্যক্তিরা হলেন লাখাই উপজেলার সুজনগ্রামের কাদির মিয়ার ছেলে নুফুল মিয়া (৪৫) ও একই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আপন মিয়া (৩৫) এবং বানিয়াচং উপজেলার হিয়ালা আগলা বাড়ির ফুল মিয়ার ছেলে মঈন উদ্দিন (১২)।


লাখাই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দেওয়ান মো. নুরুল ইসলাম বলেন, বিকেলে দুই কৃষক নুফুল মিয়া ও আপন মিয়া বাড়ির পাশের হাওরে ধান তোলার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে হঠাৎ বজ্রপাত ঘটলে তারা গুরুতর আহত হন। পরে পাশের জমিতে কর্মরত শ্রমিকরা তাদের লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত আপন মিয়ার শরীর বজ্রপাতে ঝলসে গেছে।


অপরদিকে বানিয়াচং উপজেলার হিয়ালা আগলা বাড়ির ফুল মিয়ার ছেলে মঈন উদ্দিন বিকেলে বাড়ির পাশের মাঠে খেলাধুলা করছিল। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।


বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক বজ্রপাতে মঈন উদ্দিনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। সূত্র: এনটিভি


জেড

Print