জিজ্ঞাসাবাদের পর মাসরুরকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ | timenewsbd.com

জিজ্ঞাসাবাদের পর মাসরুরকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
২৬ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:৪০:২৫
#

আটকের পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে  এ কে এম ফাহিম মাসরুরকে।  তিনি বাংলাদেশে চাকরি খোঁজার অন্যতম ওয়েবসাইট বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ও প্রতিষ্ঠাতা। 


ফেসবুকে তার নামের যে আইডি থেকে উসকানির অভিযোগে মামলা হয়েছিল সেটির সঙ্গে মাসরুরের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।  বুধবার বিকেলে নাগাদ ফাহিম মাসরুরকে ছেড়ে দেওয়া হয়।


পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নাজমুল ইসলাম জানান, উসকানির বিষয়ে যে আইডি উল্লেখ করে মামলা হয়েছে, সেই আইডিটি ফাহিম মাসরুর আইডির সঙ্গে মিলছে না। তাই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে উভয় আইডি নিয়ে তদন্ত চলবে।


আজ ফাহিম মাসরুরকে আদালতে নেওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত নেওয়া হয়নি বলেও জানান এই কর্মকর্তা।


এডিসি নাজমুল বলেন, ফাহিম মাসরুরকে নিয়ে আসার পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।  তার আইডি আর উসকানি ছড়ানো আইডির সঙ্গে তথ্য মিলছে না।  তাই আপাতত তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।


এর আগে দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) ভবনের অষ্টম তলা থেকে বিডিজবসের প্রধান নির্বাহীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের একটি দল। ওই ভবনেই বিডিজবসের কার্যালয়।


এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) বিভাগের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের উপকমিশনার আলিমুজ্জামান জানিয়েছিলেন, ফাহিম মাসরুরের বিরুদ্ধে রাজধানীর কাফরুল থানায় গত ২২ এপ্রিল ৫৭ ধারায় একটি মামলা করা হয়। সেই মামলাতেই আজ তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।


কাফরুল থানায় দায়ের হওয়া ওই মামলায় ফাহিমের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ আনা হয়েছে।  মামলার বাদী আল সাদিক। তিনি ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক।


কাফরুল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসলাম উদ্দিন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক মো. আল সাদিক গত ২২ এপ্রিল কাফরুল থানায় এ কে এম ফাহিম মাসরুরের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন।


পরিদর্শক জানান, ওই মামলার এজাহারে লেখা হয়েছে, ‘ফাহিম মাসরুরের ফেসবুক আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবির ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন আপলোড, শেয়ারসহ উসকানিমূলকভাবে মিথ্যা ও অপমানমূলক স্ট্যাটাস আপলোড করে অপপ্রচারের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ দেশে অরাজক পরিস্থিতি ও অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করেছে এবং একই ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে।’ এজাহারে মোট আটটি অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।


এমআর

Print