দুতাবাস স্থানান্তরে ইসরায়েল পৌঁছেছেন ইভাঙ্কা ও কুশনার | timenewsbd.com

দুতাবাস স্থানান্তরে ইসরায়েল পৌঁছেছেন ইভাঙ্কা ও কুশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
১৪ মে, ২০১৮ ১৩:৩৭:৩২
#

অ্যামেরিকা দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইসরায়েল পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও তার স্বামী জেরার্ড কুশনার। তারা দুইজনই হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা। ট্রাম্পের প্রতিনিধি হিসেবে তারা ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ।


তেল আবিব থেকে দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তরে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত ফিলিস্তিনিদের বিক্ষুব্ধ করেছে। ইসরায়েলের ৭০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দূতাবাসটি স্থানান্তরের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইসরায়েল জেরুজালেমকে তাদের চিরন্তন ও অবিভক্ত রাজধানী হিসেবে দাবি করে থাকে। আর ফিলিস্তিনিরা পূর্ব জেরুজালেমকে তাদের ভবিষ্যত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী মনে করে। ১৯৬৭ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সময় জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরায়েল।


জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দিয়ে ট্রাম্পের ঘোষণার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে কয়েক দশকের নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। এর মাধ্যমে দেশটি বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে পথ চলা শুরু করে।


১৪ মে সোমবার জেরুজালেমে মার্কিন কনস্যুলেট ভবনে ছোট পরিসরে দূতাবাসে কার্যক্রম শুরু করা হবে। পরে বড় ভবন নির্মাণ করে তেল আবিব থেকে সব কার্যক্রম জেরুজালেমে স্থানাস্তর করা হবে। দূতাবাস স্থানান্তর অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি উপস্থিত না থাকলেও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য দেবেন বলে আশা করছে ইসরায়েল। অনুষ্ঠানে ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও জেরার্ড কুশনার ছাড়াও মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন এমনুচিন ও সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন সুলিভান সেখানে উপস্থিত থাকবেন।


ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, দূতাবাস স্থানান্তর একটি উদযাপনের বিষয়। আর ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস একে শতাব্দীর চপোটাঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের চরম নিন্দা জানিয়েছে আর ইসরায়েলে থাকা ইউরোপের বেশিরভাগ রাষ্ট্রদূত ওই অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন। তবে হাঙ্গেরি, রোমানিয়া ও চেক রিপাবলিকলের রাষ্ট্রদূতসহ বেশ কিছু দেশের কূটনীতিকরা সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। ইউরোপের এই দেশগুলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেনি।


এস আলম

Print