তামাকের কর বৃদ্ধিতে ইয়ুথ লিডারদের সংহতি প্রকাশ

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
২০ মে, ২০১৮ ১৯:৫৫:৫২
#

“তামাকের কর বৃদ্ধির দাবির প্রতি ইয়ুথ লিডারদের সংহতি প্রকাশ জানিয়ে আজ এক কর্মসূচীর আয়োজন করে ঢাকা আহছানিয়া মিশন।


রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংহতি প্রকাশ জানিয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে শতাধিক স্কাউট সদস্য, ডাক্তার, অন্যান্য পেশাজীবি, ঢাকা লিও ক্লাবের সদস্যগণ, গণমাধ্যম কর্মী এবং বেসরকারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে এই দাবির সাথে একাত্বতা প্রকাশ করেন।


কর্মসূচি থেকে সিগারেটের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৪টি মূল্যস্তর (নিম্ন-দেশীয়, নিম্ন-আন্তর্জাতিক, উচ্চ ও প্রিমিয়াম) বিলুপ্ত করে ২টি মূল্যস্তর (নিম্ন ও উচ্চ) নির্ধারণ, বিড়ির ক্ষেত্রে ফিল্টার এবং নন-ফিল্টার বিভাজন বিলুপ্ত করে এবং গুল-জর্দার ক্ষেত্রে এক্স-ফ্যাক্টরি প্রথা প্রভৃতি বাতিল করে সকল তামাকপণ্যের প্যাকেট/কৌটা প্রতি নির্দিষ্ট পরিমাণ স্পেসিফিক এক্সাইজ ট্যাক্স আরোপের দাবী জানানো হয়।


এ ছাড়াও তামাকের ওপর আরোপিত স্বাস্থ্য উন্নয়ন চার্জ ১ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ২ শতাংশ নির্ধারণ ও অবিলম্বে তামাকের বিদ্যমান শুল্ক-কাঠামোর পরিবর্তে কার্যকর তামাক শুল্কনীতি প্রণয়ণেরও দাবী জানানো হয়।


কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন স্কাউট ঢাকা এয়ারের সদস্যগন, ক্যাম্পেইন ফর টোবাকো ফ্রি কিড্স এর প্রোগ্রাম অফিসার আতাউর রহমান মাসুদ,এইড ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বকুল,নাটাব এর প্রকল্প সম্বনয়কারী এ.কে.এম.খলিলউল্লাহ, ক্যাম্পেইন ফর টোবাকো ফ্রি কিড্স এর ডিজিটাল মিডিয়া ম্যানেজার রিয়াসাত রাজী, ন্যাশনাল হার্ট ফউন্ডেশন প্রতিনিধি ডা.শামীম জুবায়ের,ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর নেটওর্য়াক অফিসার শুভ কর্মকার,তাবিনাজ এর সহকারী গবেষক রাশেদুজ্জামান, লিও জেলা ৩১৫ এ-২ এর জোন ডিরেক্টর এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সহকারী পরিচালক ও প্রকল্প সম্বনয়কারী তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প, মো. মোখলেছুর রহমানসহ অন্যান্যরা।


সংহতি প্রকাশ কর্মসূচি শেষে সকল অংশগ্রহনকারীগণ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর তামাকজাত দ্রব্যের কর বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্ব আরোপের জন্য একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।


উল্লেখ্য, তামাক ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের পথে বড় বাধা। আমাদের দেশে প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর অন্যতম কারণ তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার। গ্লোবাল এডাল্ট টোবাকো সার্ভের ২০০৯-এর তথ্য অনুসারে বাংলাদেশে ৪৩% মানুষ তামাক সেবন করে। তামাতকজাত দ্রব্য ব্যবহারের কারণে প্রতিবছর বাংলাদেশে এক লক্ষ মানুষ মারা যায় এবং ৩,৮২,০০০ পঙ্গুত্ব বরণ করে। তাই তামাকের ক্ষতি রোধ করা খুব জরুরি। বাংলাদেশে দিনে দিনে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।


তামাক নিয়ন্ত্রণ-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে তামাকের ওপর উচ্চ হারে করবৃদ্ধির মাধ্যমে তামাকের মূল্য বৃদ্ধি করা এবং তাহলে এটা জনগণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে থাকবে। এ উদ্দেশ্যকে সামনে নিয়ে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন তামাকজাত দ্রব্যের করবৃদ্ধির দাবিতে “চাইলে উন্নয়ন জনস্বাস্থ্যের চাইলে দেশের সমৃদ্ধি করতে হবে তামাকজাত দ্রব্যের করবৃদ্ধি’’ এই স্লোগানে সংহতি প্রকাশ কর্মসূচির আয়োজন করে।


জেড

Print