সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ বাংলাদেশের নারীরা | timenewsbd.com

সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ বাংলাদেশের নারীরা

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
২১ মে, ২০১৮ ০০:৫৫:০৩
#

বাংলাদেশ সাইবার অপরাধের আখড়া হয়ে উঠছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। আর এতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তহচ্ছেন ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী মেয়েরা।


‘সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন’ নামের একটি বেসরকারি সংস্থা ভুক্তভোগীর ওপর চালানো জরিপ থেকে পাওয়া গবেষণার ভিত্তিতে এই তথ্যই উঠে এসেছে। 


গবেষণায় আরও বলা হয়, ভুক্তভোগীদের মধ্যে ১৮ বছরের কম  ১০.৫২%, ১৮ থেকে ৩০ বছরের কম ৭৩.৭১%, ৩০ থেকে ৪৫ বছর ১২.৭৭% এবং ৪৫ বছরের বেশী ৩%। 


গবেষণা বলছে, “অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তথ্য চুরির মাধ্যমে অনলাইনে সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ বাংলাদেশের নারীরা।”


আজ রোববার (২০ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে সাইবার অপরাধ বিষয়ক এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন। বালিঘড়ি মডেল কাঠামোর ভিত্তিতে এই গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। 


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা প্রযুক্তিবিদ একেএম নজরুল হায়দার। প্রধান অতিথি ছিলেন- তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ইলেক্ট্রনিক সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের (সিসিএ) নিয়ন্ত্রক আবুল মানসুর মোহাম্মদ সারফ উদ্দিন। গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপনা করেন সংগঠনের আহ্বায়ক কাজী মুস্তাফিজ। 


গত প্রায় ২ বছর ধরে ব্যক্তি পর্যায়ে ভুক্তভোগীদের প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে দক্ষ পর্যালোচনা এবং তাদের মতামতের উপর ভিত্তি করে এই গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। এতে ১৩৩ জন ভুক্তভোগীকে ৯টি প্রশ্ন করা হয়।  সাক্ষাৎকার গ্রহণের সময় জানতে চাওয়া হয়েছে, কোন ধরণের অপরাধের শিকার হয়েছেন, প্রতিকারের জন্য আইনের আশ্রয় নিয়েছেন কি না, প্রয়োজনীয় আইনিব্যবস্থা না নিলে তার কারণ, অভিযোগ করার পর তার অভিজ্ঞতা কী এবং প্রতিকারের জন্য কী করা উচিত বলে তিনি মনে করেন ইত্যাদি। 


এই গবেষণাটির ফলাফল: “দেশে সংঘটিত সাইবার অপরাধের আখড়া হয়ে উঠছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। আর এতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তহচ্ছেন ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী মেয়েরা। ভুক্তভোগীদের মধ্যে ১৮ বছরের কম ১০.৫২%, ১৮ থেকে ৩০ বছরের কম ৭৩.৭১%, ৩০ থেকে ৪৫ বছর ১২.৭৭% এবং ৪৫ বছরের বেশী ৩%।  প্রতিকারের উপায় নিয়ে স্বচ্ছ ধারণার অভাব এবং লোকলজ্জা ও ভয়-ভীতির কারণে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।”  


সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের জরিপে দেখা দেখা গেছে, “জেন্ডারভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেশে সাইবার অপরাধের শিকার ভুক্তভোগীদের ৫১.১৩ শতাংশ নারী এবং ৪৮.৮৭ শতাংশ পুরুষ।”


অপরাধের ধরণ: “অ্যাকাউন্ট জাল ও হ্যাক করে তথ্য চুরির মাধ্যমে অনলাইনে সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ বাংলাদেশের নারীরা। গড়ে অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্টে অপপ্রচারের শিকার হন ১৪.২৯ শতাংশ নারী। একই ধরনের অপরাধের শিকার হন ১২.৭৮ শতাংশ পুরুষ। অবশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডি হ্যাকিং/ তথ্য চুরির শিকার নারী- পুরুষের অনুপাতে পুরুষের অবস্থান দ্বিগুনের চেয়ে বেশী।  


এক্ষেত্রে ১৩.৫৩ শতাংশ পুরুষ আক্রান্ত হলেও নারী আক্রান্তের হার ৫.২৬ শতাংশ। অপরাধের ধরনে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ছবি বিকৃতির মাধ্যমে অনলাইনে অপপ্রচারে নারী- পুরুষের এই অনুপাত অনেকটাই বিপ্রতীপ বলা চলে। এই অপরাধে আক্রান্ত নারীর হার ১২.০৩% হলেও পুরুষের বেলায় তা ৩.৭৬%। অনলাইনে হুমকিমূলক বার্তা প্রাপ্তির হার নারী ৯.৭৭% এবং পুরুষ ভুক্তভোগী ৩.৭৬%।”


গবেষণায় দেখা গেছে, “হয়রানির শিকার হলেও ভুক্তভোগীদের ৩০ শতাংশই এর বিরুদ্ধে কীভাবে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয় সে বিষয়ে জানেন না। বাকীদের মধ্যে ২৫ শতাংশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করেও কোনো লাভ হবে না ভেবে অভিযোগ করেন না।”   


অভিযোগকারীদের সন্তুষ্টি/অসন্তুষ্টি: “জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ২১ শতাংশের মধ্যে ৭ শতাংশ ভুক্তভোগী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নালিশ করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আর ২৩ শতাংশ আইনি ব্যবস্থা নিয়ে উল্টো হয়রানির ভয়ে পুরো বিষয়টিই চেপে যান। অন্যদিকে সামাজিক ভাবমর্যাদা রক্ষায় পুরো বিষয়টি গোপন রাখেন ১৭ শতাংশ এবং প্রভাবশালীদের ভয়ে নিশ্চুপ থাকে ৫ শতাংশ ভুক্তভোগী।”  


গবেষণায় আরও দেখা গেছে, “অভিযোগের পরও আশানুরূপ ফল মেলেনা। তবে শঙ্কার কথা হচ্ছে অভিযোগ করেও আশানুরূপ ফল পাননি ৫৪ শতাংশ ভূক্তভোগী। অবশ্য ৭ শতাংশ ভুক্তভোগী ফল পেলেও ৩৯ শতাংশই এ বিষয়ে নিরবতা পালন করেছেন। আর ৩৭.৬১ শতাংশ ভুক্তভোগী প্রতিকারের জন্য প্রণীত তথ্য-প্রযুক্তি আইন সম্পর্কেই জানেন না।”


সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভুক্তভোগীদের মতামত তুলেধরেন  সংস্থাটি-


“সাইবার অপরাধের শিকার হওয়াদের ৪৪ শতাংশই মনে করেন অপরাধীদের তাৎক্ষণিক শাস্তি দেয়া গেলে ঘুনপোকা খ্যাত এই নিরব ঘাতকের হাত থেকে পরিত্রাণ মিলবে। বাকিদের মধ্যে ২৯ শতাংশ আইনের প্রয়োগ বাড়ানো এবং ২৭ শতাংশ সচেতনতা গড়ে তোলার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন।”  


সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সুপারিশসমূহ:  প্রযুক্তির উৎকর্ষের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকিও বাড়ছে। বিশ্বে প্রথম কোনো দেশ নিজেদের নামের আগে ডিজিটাল শব্দটি যুক্ত করেছে, তা হলো বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে আমরা যতো এগিয়ে যাবো ততো বেশি সাইবার নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিতে হবে। এই প্রেক্ষিতে দেশে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আমাদের কিছু সুপারিশ উল্লেখ করা হলো:


আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাশেদা রওনক খান, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশেন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) যুগ্ম-সম্পাদক মঈন উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। সঞ্চালক ছিলেন সংগঠনের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ হাসান।      


সচেতনতামূলক কর্মসূচি সম্পর্কিত:  


>সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন মনে করে, সচেতনতার মাধ্যমে কমপক্ষে অর্ধেক পরিমাণ সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। সাইবার ঝুঁকি মোকাবেলায় সচেতনতার বিকল্প নেই। বাস্তবজীবনে আমরা কোনো সমস্যার মুখোমুখি হলে নিকটজনের সহযোগিতা পেতে পারি। কিন্তু সাইবার জগতে সেটির সুযোগ নেই। এখানে প্রত্যেক ব্যবহারকারী নিজেই নিজের রক্ষক। অর্থাৎ নিজে সচেতন না হলে সাইবার ঝুঁকি থেকে মুক্তি মিলবে না। তাই সাইবার সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।  এজন্য প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শগুলো পোস্টারিং, প্রামাণ্যচিত্র, প্রচারপত্র ইত্যাদির মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার করতে হবে। 


>তথ্যপ্রযুক্তি আইন সম্পর্কেও মানুষকে সচেতন করতে হবে।


>জনসচেতনতায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে গণমাধ্যম। এজন্য গণমাধ্যমের সহযোগিতা নিতে হবে এবং গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য ‘অপরাধ ও সাইবার নিরাপত্তা’বিষয়ক নিয়মিত কর্মশালাসহ পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি নিতে হবে। সাইবার অপরাধের ঘটনা ও এর ভয়াবহতা, প্রতিকার, বিশেষজ্ঞের মতামত ইত্যাদি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রচারের উদ্যোগ নিতে হবে।  


>প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যাসগত পরিবর্তনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে: সাইবার সুরক্ষার বিষয়টির গুরুত্ব আমাদের খাওয়া-দাওয়ার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয়। যেমন আমরা স্বাস্থ্য সুরক্ষা বা পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসেবে নিয়মিত বাড়তি নখ-চুল কাটতে হয়, গোসল করতে হয় ইত্যাদি। সাইবার সুরক্ষার বিষয়টিও সেরকম। নিরাপত্তার বিষয়ে আজ একটা বিষয় জেনে বসে থাকলে হবে না। কাল নতুন কী আসছে সেটিও জানা গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ সব সময় নতুন নতুন ঝুঁকিগুলো সম্পর্কে জানতে হয় এবং সুরক্ষার বিষয়গুলো প্রয়োগ করতে হয়। এজন্য সচেতনতার বিষয়গুলোকে আমাদের নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। তার জন্য বিরতিহীন কর্মসূচি প্রণয়ন করা খুব জরুরি।


>স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যলয়সহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাইবার সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ/কর্মশালা ইত্যাদি নিয়মিত রাখতে হবে। 


প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা/কার্যদক্ষতা বৃদ্ধি সম্পর্কিত: 


দক্ষ জনশক্তি তৈরি: দেশের সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে।  এজন্য সরকারিভাবে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন করতে হবে এবং সেখানে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তা প্রকৌশলী তৈরি করতে হবে।  


>আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে প্রশিক্ষিত জনবল  বাড়ানো: গবেষণায় দেখা গেছে ভুক্তভোগীদের ৩৯ শতাংশ থানা পুলিশের কাছে গিয়েও আশানুরূপ ফল পাচ্ছেন না। দক্ষতার অভাবে অনেক পুলিশ কর্মকর্তাকে সাইবার অপরাধের বিষয়গুলো তদন্তে হিমশিম খেতে হয়। মূলত ইন্টারনেট একটি চতুর প্রকৌশল।  সাইবার অপরাধীরা নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে নতুন নতুন কৌশলের আশ্রয় নেয়। সে কারণে সাইবার অপরাধ তদন্ত সংশ্লিষ্টদেরও প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়া জরুরি। এজন্য আইনশৃক্সক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীতে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল বাড়াতে হবে। উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের সব থানায় সাইবার অপরাধ তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে এবং অভিযোগ পেলে যেন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া যায় সেটির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।   


>সাইবার নিরাপত্তার কাজে দেশি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্ব দেয়া: অন্যের ঘর থেকে তালা এনে নিজের ঘরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা কখনো নিরাপদ নয়। কারণ এই তালার একটি চাবি অন্যের কাছেও থাকা স্বাভাবিক। সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টিও তেমন। জাতীয় স্বার্থে দেশের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরোপুরি দেশের মানুষকেই কাজ করতে হবে। বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তার কাজ দেয়া হলে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়বে। এজন্য দেশের সাইবার নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কাজে অবশ্যই দেশীয় প্রতিষ্ঠান এবং দেশের জনশক্তিকে কাজে লাগাতে হবে।   


অংশীজনদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি সম্পর্কিত:


সাইবার নিরাপত্তা বিষয়টি এতোই ব্যাপক যে শুধু সরকারি উদ্যোগই এর জন্য যথেষ্ট নয়। তাই এই খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের (যেমন: পেশাদার প্রযুক্তিবিদ, প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেশাজীবীদের সংগঠন ইত্যাদি) সঙ্গে বসে এই খাতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়ার এখনই সময়।  


সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা: সচেতনতামূলক কর্মসূচিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ। তাই এ সম্পর্কিত বেসরকারি উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখবে।


আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাশেদা রওনক খান, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশেন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) যুগ্ম-সম্পাদক মঈন উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। সঞ্চালক ছিলেন সংগঠনের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ হাসান।      


মুস্তাঈন    

Print