ইলেকট্রিক কার আমদানির অনুমতি চান ব্যবসায়ীরা

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
২৮ মে, ২০১৮ ২৩:০৫:৫৬
#

পরিবেশ বান্ধব হাইব্রিড গাড়ি আমদানির সুবিধা পাওয়ার পর এবার ইলেকট্রিক কার আমদানির অনুমতির পাশাপাশি করের হার রি শিডিউলের সুবিধা চাইছেন ব্যবসায়ীরা।


বিশেষ করে হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রে ১৫শ সিসি পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ শতাংশ শুল্ক হারকে ১৮শ সিসিতে উন্নীত করার দাবি তাদের। সে সাথে গণ পরিবহনের সুবিধার্থে ১০ বছরের পুরাতন জাপানি বাস আমদানির অনুমতি এবং ৩৮ শতাংশ শুল্কহার মওকুফ চেয়েছে বারভিডা।


দেশের রাস্তায় চলাচলরত গাড়ির মধ্যে নতুন গাড়ির চেয়ে রিকন্ডিশন গাড়ির সংখ্যা বেশি। জাপানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে কিছুটা কম দামে ব্যবহৃত এসব গাড়ি বাংলাদেশে আমদানি করেন ব্যবসায়ীরা। পুরাতন গাড়িগুলো দামে কম হলেও জ্বালানি খরচ অনেক বেশি।


এ অবস্থায় দীর্ঘদিনের দাবির মুখে পরিবেশ বান্ধব হাইব্রিড গাড়ি আমদানির অনুমতি দেয়া হয় গত বছর। এর মধ্যে শুন্য থেকে ১৫শ সিসি পর্যন্ত শুল্ক হার নির্ধারণ করা হয় ২০ শতাংশ। আর ১৬শ থেকে ২ হাজার সিসি পর্যন্ত গাড়ির ৪৫ শতাংশ শুল্ক হার নির্ধারণ করা হয়। এ অবস্থায় পরিবেশ বান্ধব গাড়ি আমদানিতে উৎসাহী করতে শুল্ক হার রি শিডিউলের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।


হাবিবুর রহমান সাধারণ (সম্পাদক, বারভিডা) বলেন, সম্পূরক শুল্কের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার চেয়েছি আমরা।


দেশের গণ পরিবহনের বেহাল অবস্থা। চাহিদার তুলনায় গাড়ির সংখ্যা একেতো কম, তার ওপর অধিকাংশ গাড়ি লক্কড়ঝক্কড়। এ অব¯হায় ৫ বছরের পরিবর্তে ১০ বছরের বেশি পুরাতন গাড়ি আমদানির অনুমতি চান ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি গণপরিবহন আমদানির ক্ষেত্রে বর্তমান ৩৮ শতাংশ শুল্ক হার এক বছরের জন্য মওকুফ চান।


মাহবুবুল হক বাবর (সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বারভিডা) বলেন, দেশের উন্নতির স্বার্থে এক বছরের জন্য সম্পূরক কর বাতিল ও দশবছরের গাড়ি আনার অনুমতি দেয়া হোক।


মূলত জাপান থেকে সবচেয়ে বেশি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি করা হয়। এছাড়া যুক্তরাজ্য থেকেও কিছু রিকন্ডিশন গাড়ি বাংলাদেশে আসছে। আর নতুন গাড়ি আমদানি করা হয় ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া থেকে।


এসএম

Print