ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন নব্বইয়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
৩০ মে, ২০১৮ ২২:০১:৫৪
#

১৯৯৬ সালের ৭ মে মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানকে গুলি করে হত্যার দায়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ জোসেফকে ১৯৯৯ সালে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।


এ রায়ের বিরুদ্ধে জোসেফ আপিল করলেও মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট। পরে আপিল বিভাগ এ সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।


কারাগারে বন্দি জোসেফ চিকিৎসার জন্য ২০ মাস ধরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের (বিএসএমএমইউ) কারাকক্ষে ছিলেন।


জোসেফ অসুস্থ না হয়েও দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসার নামে আরাম-আয়েশ করছেন বলে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে গত ৭ মে তাকে কারাগারে ফিরিয়ে নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।


এরপর বুধবার রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার পরিপ্রেক্ষিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিয়ে কারাবন্দি শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ জোসেফকে শারীরিক অসুস্থতার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়।


রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন এই তোফায়েল আহমেদ জোসেফ।


অভিজাত পরিবারের সন্তান জোসেফের বড় ভাই মেজর জেনারেল আজিজ আহমদ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাবেক মহাপরিচালক। তাদের বাবা বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ওয়াদুদ আহমেদ। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট জোসেফ বড় ভাই হারিস আহমেদের হাত ধরে রাজনীতির মাঠে পদার্পণ করেন।


নব্বইয়ের দশকে জাতীয় পার্টি ছেড়ে হারিস যোগ দিয়েছিলেন যুবলীগে। তৎকালীন ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরও হয়েছিলেন তিনি। জোসেফ তার বড় ভাইয়ের ক্যাডার বাহিনীর প্রধানের দায়িত্বপালন করেন।


এরপর থেকে মোহাম্মদপুর-হাজারীবাগসহ আশপাশের এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন জোসেফ। যোগ দেন সুব্রত বাইনের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আলোচিত সেভেন স্টার গ্রুপে। পুরো রাজধানী তখন সেভেন স্টার গ্রুপ ও ফাইভ স্টার গ্রুপ নামে দুটি বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করত। এভাবেই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তালিকায় নাম উঠে আসে জোসেফের। এএস

Print