পেটের আলসারের লক্ষণ ও কারণ

স্বাস্থ্য ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
০৭ জুন, ২০১৮ ২৩:০৬:৩৮
#

পেটের আলসার কনটেন্টটিতে পেটের আলসার কী, লক্ষণ, উপসর্গ, চিকিৎসা, পরীক্ষা নিরীক্ষা, বাড়তি সতর্কতা, প্রতিরোধ সর্ম্পকে বর্ণনা করা হয়েছে।


পেটের আলসার একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। সচেতন হলে এই রোগ অনেকখানি প্রতিরোধ করা সম্ভব। এছাড়া বর্তমানে সফলভাবে এই রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকে।


পেটের/পাকস্থলীর/ক্ষুদ্রান্তের আলসার কী    


পাকস্থলীর আলসার হলো একধরনের ঘা যা পাকস্থলীর ভিতরের আবরণ,


উপরের ক্ষুদ্রান্ত অথবা খাদ্যনালীতে সৃষ্টি হয়ে থাকে। পাকস্থলীর আলসারের


সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো পেট ব্যথা।


পেটের/পাকস্থলীর ক্ষুদ্রান্ত্র আলসার হয়েছে কি করে বুঝবেন


রোগের সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গ হলো তীব্র ব্যথা।


নাভি থেকে শুরু করে বুকের হাড় পর্যন্ত এই ব্যথা অনুভূত হয়।


ব্যথা কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।


পাকস্থলী খালি থাকলে ব্যথা আরো বেশি অনুভূত হয়।


খাবার খেলে বা এসিডের ওষুধ খাওয়ার ফলে সাময়িকভাবে ব্যথার উপশম হয়। আবার ক্ষুদ্রান্ত্র আলসার বা ঘাতে খেলেও ব্যথা বাড়ে।


ব্যথা চলে গিয়ে  কিছু দিন বা কয়েক সপ্তাহের জন্য আবার ফিরে আসে।


অন্যান্য লক্ষণ ও উপসর্গ


লাল অথবা কালো রংয়ের রক্ত বমি।


পায়খানার সাথে গাঢ় রংয়ের রক্ত যাওয়া অথবা পায়খানার রং কালো অথবা আলকাতরার রংয়ের মতো হওয়া।


    বমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়া।


    হঠাৎ করে শরীরের ওজন কমে যাওয়া।


    খাবারে রুচির পরিবর্তন হওয়া।


প্রশ্ন.১.পেটের/পাকস্থলীর/ক্ষুদ্রান্তের আলসার কেন হয়?


উত্তর.একধরনের জীবাণু (ব্যাকটেরিয়া হেলিকোব্যাক্টার) এই রোগের কারণ। এছাড়া খাবারে অতিরিক্ত তেল,মসলার ব্যবহার, নিয়মিত ব্যথার ওষুধ সেবন,অতিরিক্ত চাপ এবং ধূমপান করলেও পাকস্থলীর আলসার হতে পারে।


প্রশ্ন.২.পাকস্থলীর আলসার থেকে কি ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে?


উত্তর.পাকস্থলীর আলসার থেকে যে ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে তা হলো: পাকস্থলী/ক্ষুদ্রান্ত ফুটো হয়ে যাওয়া ও তার থেকে পেটের ভিতরে সংক্রমণ হয়ে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।


প্রশ্ন.৩.পাকস্থলীর আলসার কাদের বেশী হয়?


উত্তর.যারা: ১.অনিয়ন্ত্রিত ভাবে বা বেশী বেশী ব্যথা কমানোর ঔষধ খান,২.অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার খান,৩.ধূমপান করেন,  নেশা জাতীয় জিনিস সেবন করেন, তারা পাকস্থলীর আলসারের সমস্যায় বেশী ভুগে থাকেন।


সূত্র: জাতীয় ই-তথ্যকোষ।


এসএম

Print