ট্রেনের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ার ছয় উপায় | timenewsbd.com

ট্রেনের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ার ছয় উপায়

টাইম ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
১১ জুন, ২০১৮ ০১:২০:৪৪
#

ঘুম মানুষের খুব দরকার। ঘুম ছাড়া সুস্থভাবে বাঁচা কোনোভাবে সম্ভব নয় বলে সিংহভাগ মানুষ বিশ্বাস করেন। কিন্তু এই ঘুম অনেকেই খুব সহজেই ঘুমাতে পারেন। আবার অনকে অনেক চেষ্টা করেও ভালোভাবে ঘুমাতে পারেন না। বিশেষ করে দূরে কোথাও যাওয়ার পথে অনেকেই ট্রেনে বা বাসে চড়ে ঘুমিয়ে পড়েন সহজেই। আবার অনেকেই অনেক চেষ্টা করেও ঘুমাতে পারেন না। ট্রেনে চড়ে খুব সহজে ঘুমিয়ে পড়ার ছয়টি উপায় নিম্নে তুলে ধরা হলো-


১। জমিয়ে ঘুমোতে চাইলে শুরুতেই জানালার ধার দখলের চেষ্টা করুন। কিন্তু কোন দিকে বসবেন, সেটা নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর। ডেলি প্যাসেঞ্জার মাত্রেই জানেন, গরমের সময় এমনভাবে বসতে হয় যাতে ট্রেন যেদিকে যাচ্ছে, আপনার মুখও সেদিকে থাকে। কিন্তু শীত বা বর্ষায় এর উল্টোটা করুন। সমস্যাহীন নিদ্রার জন্য অতি আবশ্যক। অবাঞ্ছিত বাতাস বা জলের ছাঁট বিরক্ত করবে না।


২। জানলার ধারে বসার সুযোগ পেলে হাতটা মুড়ে কনুই সংলগ্ন বাহুর অংশটি জানালার ধাপে তুলে দিন। তার ওপর মাথা রাখুন। এতে ট্রেনের দুলুনি বা ঝাঁকুনিতেও ঘুম ভাঙার সম্ভাবনা কম।


৩। জানলার ধারে না হয়ে যদি মাঝে বসার সুযোগ পান, তাহলে অন্য টেকনিক নিতে হবে। শিরদাঁড়া সোজা রেখে বা সামান্য হেলিয়ে মাথাটা কোথাও ঠেকিয়ে ঘুমোনোর বিপদ আছে। আকস্মিক ঝাঁকুনিতে মাথায় আঘাত লাগতে পারে। ঘাড়ের ব্যথাও হতে পারে। বরং এক্ষেত্রে কাজে লাগান আপনার হাতের ব্যাগটি। ঊরুর ওপর ব্যাগটি রেখে তার উপর হাত রাখুন। এবার হাতে ভর দিয়ে ঘুমোন। ট্রেনের ঝাঁকুনিতে শক অ্যাবসর্বারের কাজ করবে পায়ের উপর রাখা ব্যাগটি।


৪। যদি বসার জায়গাটিও না জোটে, সেক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েও ঘুমোনোর উপায় হতে পারে। কীভাবে? আবশ্যিক শর্ত হল, হাত ওপরে তুলে শক্ত করে ধরে রাখতে হবে ট্রেনের ঝুলন্ত হাতল। ঘুমের মধ্যে কোনওভাবেই যাতে হাত ছেড়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এই বার হাতের কাঁধ সংলগ্ন অংশে আলতো করে ঘাড় বেঁকিয়ে মাথা ঠেকিয়ে ঘুম! ব্যাস, নো টেনশন!


৫। ঘুমের চেষ্টা করার সময় কোনওভাবেই হাতে মোবাইল রাখবেন না। ঘুমের ঘোরে হাত থেকে মোবাইল পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা যেমন থাকবে, তেমনই মোবাইলের দিকে মন থাকলে চট করে ঘুম আসতেও সমস্যা হতে পারে।


৬। তবে ট্রেনে বা বাসে ঘুমোনোর জন্য সেরা উপায় হল বন্ধুর উপর ভরসা রাখা। নিজের ভার বন্ধুর কাঁধে রাখুন।


অতএব, অফিস যাওয়ার পথে ছোট্ট করে একটা ন্যাপ নিয়ে নিন, একদম নিশ্চিন্তে।


এসএম

Print