ইরান-বাংলাদেশ যৌথভাবে ‘ইসলামি সিনেমা’ বানাবে অনন্ত জলিল

টাইম ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
২৩ জুন, ২০১৮ ০০:০৯:৫৪
#

বাংলাদেশের জনপ্রিয় নায়ক অনন্ত জলিল বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি হতে যাওয়া সিনেমা আগামী বছর মুক্তি দেয়া হবে। যৌথভাবে নির্মিত এ ছবিতে ইসলামি ম্যাসেজ থাকবে।


আর এ লক্ষ্যে ইরান সফর করেন জনপ্রিয় নায়ক অনন্ত জলিল। রেডিও তেহরানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এইসব জানান তিনি।  


অনন্ত জলিলের পরিবার ছাড়াও এ সফরে তাকে সঙ্গ দিয়েছেন তার মিডিয়া ম্যানেজার, তার এক বন্ধু, বাংলাদেশে অবস্থিত ইরানের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের বাংলাদেশি জনসংযোগ কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম।


এ ছবি করার বিষয়টি তাঁর ইরান সফরের মূল উদ্দেশ্য বলে জানান অনন্ত জলিল। তিনি বলেন, ইসলামি ভাবধারায় পুষ্ট অনেক ছবি আগে করেছে ইরান।


ছবি, বিশেষ করে ইসলামি ছবি তৈরিতে ইরানের অনবদ্য দক্ষতার কথা তুলে ধরতে যেয়ে অনন্ত জলিল বলেন, ইরানের ছবি অস্কারে গিয়েছে, কান চলচ্চিত্র উৎসবে গিয়েছে। এমনকি বাংলাদেশেও ডাবিং করে ইরানের অনেক নাটক-ছবি দেখানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।



তিনি বলেন, ইরানের এ ধরণের ছবি ছোটবেলা থেকেই দেখে এসেছি। যৌথ ভাবে এ ধরণের ছবি বানানোর জন্য ইরান সেরা দেশ বলে জানান তিনি।


ছবির কাজ কবে শুরু হবে জানতে চাইলে অনন্ত জলিল বলেন, চলতি বছরেই এর কাজ শুরু হবে। এ জন্য দিন-তারিখ এখনো ঠিক করা হয়নি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আগামী বছর ছবি মুক্তি দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।


অনন্ত জলিলের স্ত্রী চিত্র নায়িকা বর্ষা এ ছবিতে থাকবেন বলে জানান অনন্ত জলিল। পাশাপাশি তিনি বলেন, সম্পূর্ণ শালীনতা বজায় রাখা হবে ছবিতে। এছাড়া, ইরানের অভিনেত্রীরা যেভাবে হিজাব বা ইসলামী শালীন পোশাক পরে অভিনয় করেন এ ছবির সব অভিনেত্রী তা বজায় রাখবেন। চিত্রনায়িকা বর্ষার পাশাপাশি এতে ইরান এবং বাংলাদেশের অভিনেত্রীরা অভিনয় করবেন বলে জানান।


ছবিতে ইরানি নায়কও থাকবেন বলে জানান তিনি। ছবির কাহিনী সম্পর্কে কিছু বলেন নি তিনি।



এদিকে, ছবির নাম এখনো ঠিক হয় নি বলে এ ছবি নির্মাণের সঙ্গে জড়িত ইরানি একটি সূত্র রেডিও তেহরানকে জানান।


ইরানে অনন্ত জলিলের এটাই প্রথম সফর। সফরের মাধ্যমে ইরান সম্পর্কে ধারণা পাল্টে গেছে বলে জানান তিনি। তেহরান আসার আগে তার ধারণাই ছিল না যে ইরানের রাজধানী এতোও সবুজ এবং এতো নিরাপদ।


অন্তত একশ' দেশ সফর করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তেহরান এতো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এটা এখানে আসার আগে ভাবতেই পারেন নি। একই কথা ইরানের অন্যতম ঐতিহাসিক নগরী ইস্পাহান সম্পর্কেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।



ইরানের কেবল এ দুই নগরী সফর করার সুযোগ হয়েছে বলে জানান তিনি। এ সাক্ষাৎকারে ইরানের মানুষ সম্পর্কেও কথা বলেন তিনি।  


রেডিও তেহরানকে  তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ইরানের মানুষ এবং তাদের আচরণ। তারা খুবই ভদ্র এবং সবাই সবাইকে সম্মান করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 


এমবি   


Print