দুই পড়শির অগ্নিপরীক্ষা আজ

স্পোর্ট ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
১০ জুলাই, ২০১৮ ১৫:০১:৩৬
#

ফ্রান্স-বেলজিয়াম কখনও যুদ্ধে জড়ায়নি। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দুই দেশের সম্পর্ক বরং সব সময়ই বন্ধুত্বপূর্ণ। তবু পৃথিবীর ইতিহাসের নাড়িয়ে দেওয়া যুদ্ধের প্রসঙ্গ এলে একসঙ্গে চলে আসে প্রতিবেশী এ দুই দেশের নাম।


ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট তার সাফল্যে ভরা সামরিক জীবনে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন যেখানে, সেই ওয়াটারলুর অবস্থান এখনকার বেলজিয়ামে। কেবল ইতিহাসে নয়, ফ্রান্স-বেলজিয়াম জড়িয়ে আছে বর্তমানেও।


দুই ভাষায় ভাগ হয়ে যাওয়া বেলজিয়ামে প্রায় অর্ধেক অংশের মানুষই ফ্রেঞ্চ-ভাষী। খুব চেনাজানা আর খুব ঘনিষ্ঠ এ দুই পড়শি দেশই আজ সেন্ট পিটার্সবার্গে নামছে ফুটবলযুদ্ধে।


রাশিয়া কবশ্বকাপের উন্মাদনায় ভাসছে পুরো ফুটবল জগত। এরইমধ্যে শেষ চার নিশ্চিত করেছে সেরা দলগুলো।


আর আজ প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে আসরের অন্যতম ফেভারিট ফ্রান্স ও দুর্দান্ত ফর্মে থাকা বেলজিয়াম। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায়।


উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচে আগে পরিসংখ্যানের পাতায় অবশ্য ফ্রান্স এগিয়ে আছে। বেলজিয়ামের সঙ্গে শেষ তিন সাক্ষাতে দুইবারই জয়ের মুখ দেখেছে ফরাসিরা। সেটা অবশ্য একুশ শতকে নয়। এই দুই জয় এসেছে উনিশ শতকে।


বিশ্বকাপ মঞ্চে শেষবার ১৯৮৬ সালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হয়েছিল বেলজিয়াম। মেক্সিকো বিশ্বকাপে সেবার তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচে বেলজিয়ামকে পেনাল্টিতে হারিয়ে থার্ড বয় হয়েছিল ফ্রান্স।


তার আগে ফান্স বনাম বেলজিয়াম লড়াই সেই চল্লিশের দশকে। ১৯৩৮ সালে প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে বেলজিয়ামকে ৩-১ হারিয়েছিল ফরাসিরা। এখানেই শেষ নয়, ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের আসরে ফ্রান্সের কাছে ৫ গোলের হারের লজ্জা এখনও বেলজিয়ামের কাছে দুঃস্বপ্নের সমান।


১৯৮৪ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের আসরে সেবার হ্যাটট্রিক করে বেলজিয়ামের কফিনে পেরেক পুঁতে দিয়েছিলেন মিচেল প্লাতিনি। এএস

Print