বরিশালে সব কেন্দ্র দখল করে নৌকায় সিল (ভিডিও)

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
৩১ জুলাই, ২০১৮ ০১:১৮:২২
#

খুলনা ও গাজীপুর স্টাইলের নির্বাচনকেও ছাড়িয়ে ব্যাপক কারচুপি আর অনিয়মের মধ্যে ভোট হয়েছে বরিশাল সিট করপোরেশনে (বিসিসি)।


দীর্ঘ প্রচারণা শেষে সোমবার সকাল আটটায় শুরু হয় ভোটগ্রহণ। প্রথম কিছুক্ষণ ভালোভাবে চললেও সাড়ে আটটা থেকেই নগরীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই, জাল ভোট ও আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগ সহ বহিরাগতদের মহড়া চোখে পড়ে।


তারা ভোটারদের হাত থেকে স্লিপ ও ভোটার কার্ড ছিনিয়ে নেয় এবং ভয়-ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে তাড়িয়ে দেয়। এভাবে বেলা বৃদ্ধির সাথে সাথে অসংখ্য কেন্দ্র থেকে অনিয়মের অভিযোগ আসতে থাকে।


বেশ কিছু কেন্দ্রের ভোট স্থগিত ও বাতিল করা হয়। বিএনপি ও বিভিন্ন দলের অ্যাজেন্টদেরকে ভোটকেন্দ্র থেকে মারধর ও ধমক দিয়ে বের করে দেয়ার ফলে বাধ্য হয়ে একপর্যায়ে বিএনপি সহ অন্যান্য ৪ টি দলের মেয়র প্রার্থীরা ভোট বর্জন করেন।


সকাল আটটায় বরিশাল মহানগরীর পশ্চিম কাউনিয়া এলাকার ১ নং ওয়ার্ডের সৈয়দা মজিদুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের (পুরুষ) ভোট শুরু হয়।


সরকারি দলের স্থানীয় ও বহিরাগত লোকজন কেন্দ্র দখল, জোরপূর্বক ব্যালট ছিনতাই করে নৌকা প্রতীকে সিল মারেন।


একপর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে কেন্দ্রের ভোট কার্যক্রম স্থগিত করেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার। পাশাপাশি গৃহীত ভোটও বাতিল করেন। এই কেন্দ্রের নম্বর ৪। মোট ভোটার ২৪ শ ৭ জন। বুথ ছিল সাতটি। যেখানে সকাল ৮ টা ৪০ মিনিটে ভোট দেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার।


এসময় কিছুক্ষণ তিনি অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পুলিশ ছিল নীরব দর্শক। প্রশাসন ছিল নির্বিকার। দেখেও না দেখার ভান করে দায়িত্ব এড়িয়ে যান তারা।



সরেজমিন দেখা যায়, সকাল সাড়ে আটটার দিকে বরিশাল সিটির আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর লোকজন মজিদুন্নেছা কেন্দ্রটি দখল করে নেয়। কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমাণ ভোটারদের দীর্ঘ সারি থাকলেও তারা ভেতর ঢুকতে পারছিলেন না। ভেতরে শতাধিক ব্যক্তি মেয়র পদের ব্যালটে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে গণহারে সিল মারে। এই স্কুলে দুটি কেন্দ্র (নারী ও পুরুষ)।


বেলা ১১টার দিকে পুরুষ কেন্দ্রের চার নম্বর বুথে টেবিলের ওপর মেয়র পদের ব্যালট বইয়ের মুড়িটি ভাঁজ করা অবস্থায় পড়ে ছিল।


প্রতিটি ব্যালটে নৌকা প্রতীকের ওপর সিল মারা। ওই বুথের দায়িত্বে থাকা সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তৌহিদা খানম বলেন, একদল লোক এসে জোর করে এই ব্যালট বইয়ে সিল মেরে গেছে। সঙ্গে সিল-প্যাডও নিয়ে গেছে।


এই কেন্দ্রের তিন নম্বর বুথেও দীর্ঘক্ষণ ধরে ভোট নেওয়া বন্ধ করে রাখা হয়। ওই বুথের সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন বলেন, মেয়রের ব্যালটের পুরো মুড়িটাই এক দল লোক ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। তাই ভোট গ্রহণ বন্ধ রাখা হয়েছে।


এই কেন্দ্রে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে একাধিকবার পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি সদস্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে কেন্দ্রের সামনের রাস্তায় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর লোকজন দুই পাশে অবস্থান নেয়।


বিএনপি সহ মেয়র প্রার্থীর ভোট বর্জন


নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে বিসিসি নির্বাচন বর্জন করেছেন বিএনপি সহ ৫ টি রাজনৈতিক দলের মেয়র প্রার্থী। গতকাল সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেই ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।


এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মাওলানা ওবাইদুর রহমান ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মেয়র প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী, সিপিবির মেয়র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় পার্টির (বহিষ্কৃত) মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।


সংবাদ সম্মেলনে মজিবর রহমান সরওয়ার বলেন, গাজীপুর ও খুলনায় ভোটগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হলেও বরিশালে ভোট শুরুই করা হয়নি। ৭০ থেকে ৮০টি কেন্দ্রে ভোট শুরু না হতেই ব্যালটে নৌকার সিল মেরে বাক্স ভর্তি করা হয়েছে।


বিএনপি ও অন্য দলের কোনো প্রার্থীর এজেন্টদের ভোটকক্ষে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। নির্বাচনে প্রশাসনের ভূমিকা ন্যক্কারজনক। আমি চারবার সংসদ সদস্য ও একবার মেয়র ছিলাম। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো সরকারের আমলেই এমন নজিরবিহীন ভোট আমরা দেখিনি।


এমন প্রহসনের নির্বাচন না করে এমনিতেই ঘোষণা দিয়ে নিয়ে যেতে পারত সরকার। আজকে মানুষের মাঝে হতাশা সৃষ্টি করা হয়েছে যে দেশে কখনো আর সুষ্ঠু নির্বাচন হবেনা!


তিনি বলেন, আমরা আগেই বলেছিলাম, এখানে প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় প্রার্থী, তাই সুষ্ঠু নির্বাচন অসম্ভব। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাচন কমিশনের আশ্বাসে আমরা আশ্বস্ত হয়েছিলাম।


এরপরও হামলা-মামলা সত্বেও আমরা নির্বাচনে অংশ নিই। কিন্তু আমাদের আগের আশঙ্কাই আজ ঠিক হলো। এখানে পুলিশ আওয়ামী লীগের পক্ষপাতিত্ব করেছে। তারা ব্যালট ছিনতাই করে নৌকায় সিল মারতে সহায়তা করেছে।


বহিরাগতদের দিয়ে ভোট কেড়ে নেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে নৌকা প্রতীকে সিল মারা ১০ থেকে ১২টি ব্যালট সাংবাদিকদের দেখিয়ে সরওয়ার বলেন, সদর গার্লস স্কুল কেন্দ্রে এভাবে ব্যালটে নৌকার সিল মেরে বাক্স ভর্তি করা হয়েছে।


তিনি ভোট প্রত্যাখ্যান করে এর প্রতিবাদে আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় ঘেরাও করার কর্মসূচি দিয়ে বলেন, প্রয়োজনে আমার আন্দোলনেও যাবো। এরপর মিছিল নিয়ে তিনি নির্বাচন কার্যালয়ের দিকে রওনা দেন। মজিবর রহমান সরোওয়ার বলেন, মুক্তিযুদ্ধ করে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার অর্জন করেছিলাম। আজকে সবকিছুই ধ্বংস। নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস। তবে এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চলতে পারেনা। নিশ্চয় মানুষ জেগে উঠবে।


সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়েদুল হক চান, নগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুল হক, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


ইসলামী আন্দোলনের ওবাইদুর রহমান ও বাসদের মনীষা চক্রবর্তী সমর্থকদের নিয়ে ‘প্রহসনের নির্বাচন মানি না মানব না’, ‘ভোট চুরির নির্বাচন মানি না মানব না’ এমন বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বরিশাল সদর রোডে পৃথকভাবে বিক্ষোভ মিছিল করেন।


এ সময় মনীষা গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বলেন, তিনি সদর গার্লস স্কুল কেন্দ্রে গিয়ে প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে সিল মারতে দেখেন। প্রতিবাদ করলে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।


এসময় তার বাম হাতে তিনি আঘাত পান। অভিযোগ জানানোর পরও এই কেন্দ্রে নির্বাচন এখনো চলে। এই কেন্দ্রের মতো সব কেন্দ্রেই নৌকায় সিল মারা হয়। এদিকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস বরিশালে ভোট স্থগিত চেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন।


বহিরাগতদের দৌরাত্ম


বিসিসি নির্বাচনকে ঘিরে বরিশালের বিভিন্ন উপজেলা থেকে দলীয় নেতাকর্মীদেরকে নগরীতে হাজির করে আওয়ামী লীগ। তারা নগরীর বিভিন্ন হোটেল ও স্থানীয় নেতাদের বাসা-বাড়িতে আশ্রয় নেন।


স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও কয়েকজন লোকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিসিসি নির্বাচনকে ঘিরে শহরের বাইরের অনেক মানুষ নগরীতে দেখা গেছে। বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়রদের নেতৃত্বে নৌকার প্রার্থী সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে শোডাউন করেন এবং গলায় ও মোটরসাইকেলে নৌকার স্টিকার লাগিয়ে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন।


অন্যদিকে বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে নতুন মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।


বিসিসির ১ নং ওয়ার্ডে সৈয়দা মজিদুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে দেখা যায় গৌরনদী উপজেলার চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন্নাহার মেরি।


এসময় বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ভোট দিতে দোতলায় অবস্থান করছিলেন। কিন্তু মেরির নির্দেশে গৌরনদী থেকে আসা প্রায় অর্ধশতাধিক ছাত্রলীগ-যুবলীগের বহিরাগত নেতাকর্ম স্লোগান দিতে থাকেন।


এভাবে বিভিন্ন কেন্দ্রের সামনে বহিরাগতদের চেখে পড়েছে। যা নির্বাচনী আচরণ বিধির লঙ্ঘন। বিএনপি অভিযোগ করেছে, ভোট শুরুর আগে এবং ভোট শুরুর আধাঘণ্টার মধ্যে ২০ টি কেন্দ্রের প্রায় ৫০ জন অ্যাজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়।


ছাত্রলীগের ব্যালট ছিনতাই ও ইভিএম নিয়ে ভোগান্তি: এদিকে ইলেক্ট্রিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন বিসিসির অসংখ্য ভোটার। ভুক্তভোগীরা জানান, ভোট কেন্দ্রের ইভিএম’র ডিসপ্লেতে সব প্রতীক দেখানোর কথা থাকলেও শুধু নৌকা ও আওয়ামী লীগ কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীক সেখানে দেখানো হচ্ছে। ফলে তারা পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।


এখানেই শেষ নয়, যেসব কেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে সেসবের বেশিরভাগ কেন্দ্রেই ইভিএমে ত্রুটি দেখা দেয়। বাইরে ভোটারের সারি লম্বা হতে থাকে। কিন্তু ত্রুটি থাকায় ভোটগ্রহণ ঠিকভাবে হয়নি। এতে করে দীর্ঘসময় ধরে ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে।


বেশকিছু কেন্দ্রে ভোটারদেকে শিখিয়ে দেয়ার নামে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজেই নৌকার প্রতীকে ভোট দিয়ে ভোটারকে বলেছেন যে, আপনার ভোট হয়ে গেছে। ২০ নং ওয়ার্ডের বরিশাল সরকারি ব্রজ মোহন (বিএম) কলেজের ৭৭ ও ৭৮ নং কেন্দ্রে এই ঘটনা দেখা যায়।


৭৭ নং কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন শোভা রানী মল্লিক। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইভিএম মেশিন ডিস্টার্ব দিয়েছে।


নৌকা ছাড়া অন্য মার্কা বুঝা যায়না, অস্পষ্ট। বুথে দায়িত্বরত ব্যক্তি শিখিয়ে দেয়ার নাম করে নিজেই নৌকা প্রতীকে ক্লিক করে বলেন যে ভোট দেয়া শেষ। এভাবে আরো কয়েকজন ভোটার এই ভোগান্তির কথা বলেন।


১২ নং ওয়ার্ডের দুইটি ভোটকেন্দ্রেও ইভিএমে ভোট নেয়া হয়। কিন্তু ভোট শুরুর কিছুক্ষণ পরই ইভিএমে ত্রুটি দেখা দেয়। ফলে ৫০ নং কিশোর মজলিস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের একটি বুথে ভোটগ্রহণ দেরি হয় এবং ইভিএম বাদ দিয়ে ম্যানুয়ালি ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।


এরইমধ্যে বেলা ১১ টার দিকে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল ছাত্রলীগ নেতাকর্মী দোতলার বুথে প্রবেশ করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যা ছিলেন নীরব। তারা ঢুকেই সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার কল্লোল কুমারের কাছ থেকে ব্যালট বই ছিনিয়ে নিয়ে কয়েকজন প্রকাশ্যে নৌকা ও ঠ্যালাগাড়িতে সিল মেরে বাক্সে ভরেন।


পরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মাহফুজুর রহমান সহ প্রশাসন এসে খোঁজখবর নেন। কিছুক্ষণের জন্য ভোট স্থগিত করা হয়।


এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী কেএম শহীদুল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, সরকারি দলের লোকজন ব্যালট ছিনতাই করে নৌকা ও ঠ্যালাগাড়িতে ভোট দিয়েছে। সুষ্ঠু ভোট হয়নি।


এই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সামান্য অনিয়ম হলেও ভোট সুষ্ঠু হয়েছে।’


তবে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার কল্লোল কুমার বলেন, আমি ছিলাম অসহায়। বিএনপি প্রার্থীর অ্যাজেন্ট মামুন বলেন, প্রতিবাদ করতে গেলে হুমকি দিয়েছে। যে কারণে নিশ্চুপ থেকেছি। যদিও ভোট কেন্দ্রে এবং বাইরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সদস্য মোতায়েন ছিল। কিন্তু তাদের ভুমিকা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। (সূত্র: নয়াদিগন্ত)


কেবি

Print