অ্যাপলের অর্থের পরিমাণ যে দেশের মোট অর্থনীতির সমান

টাইম ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
০১ আগস্ট, ২০১৮ ২২:৪৯:০০
#

বিশ্বে এমন কিছু ধনী প্রতিষ্ঠান আছে, যাদের মোট অর্থের পরিমাণ কোন কোন দেশের মোট অর্থনীতির আকারকে ছাড়িয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক আয় কোন কোন দেশের মোট জিডিপির অনেক ঊর্ধ্বে। এ তালিকায় রয়েছে অ্যামাজান, ওয়ালমার্ট, অ্যাপল আর অ্যালফাবেটের মতো প্রতিষ্ঠান।


মার্কিন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট। ২০১৭ সালে এ প্রতিষ্ঠানের মোট আয় ছিলো ৪৮ হাজার ৬শ' কোটি ডলার। যা ইউরোজোনের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ বেলজিয়ামের মোট জিডিপি'র সমান। জিপিডির আকারে বিশ্বে ২৪'তম হতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।


জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফোক্সওয়াগনের আয়ের পরিমাণ চিলির জিডিপি'র চেয়ে বেশি। ২০১৬ সালে এ প্রতিষ্ঠানের আয় ছিলো ২৭ হাজার ৬শ' কোটি ডলার, যেখানে একই বছর চিলির জিডিপি'র আকার ছিলো ২৫ হাজার কোটি ডলার। মোট আয় দিয়ে প্রবৃদ্ধি বিবেচনা করলে বিশ্বে ফোক্সওয়াগনের অবস্থান থাকতে পারতো ৪৩ নম্বরে।


দেশ হিসেবে বিবেচনা করলে জিডিপি'র দিক দিয়ে বিশ্বে ৪৭ তম অবস্থানে থাকতো মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপল। কর্মীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ, কম মজুরি দেয়ার অভিযোগ এবং দেশের বাইরে অর্থ সঞ্চয়ের মতো অভিযোগ থাকলেও গেলো বছর ২২ হাজার ৯শ' কোটি ডলার আয় করেছে অ্যাপল। যেখানে পর্তুগালের মোট জিডিপি'র আকার ২০ হাজার ৫শ' কোটি ডলার। 


অনলাইন রিটেইল জায়ান্ট অ্যামাজান ২০১৭ সালে আয় করেছিলো ১১ হাজার ৮শ' কোটি ডলার। যেখানে কুয়েতের মোট জিডিপি'র আকার ১১ হাজার ১শ' কোটি ডলার। বর্তমানে ১৫ হাজার কোটি ডলার নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন অ্যামাজান প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজস।


গুগলের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট গেলো বছর ১১ হাজার ১শ' কোটি ডলার আয় করেছে। যেখানে পুয়ের্তো রিকোর মোট জিডিপি ১০ হাজার ৫শ' কোটি ডলার। জিডিপি বিবেচনায় বিশ্বের ৫৯ তম দেশের অবস্থানে থাকতো অ্যালফাবেট।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বায়নের কারণেই এ কোম্পানিগুলো নিজেদের পরিসর এতো বড় করতে সক্ষম হয়েছেন। তবে কিছু মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি আবার হাঁটছে উল্টোপথে। বাড়ছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের সাথে শ্রমিকদের বেতন বৈষম্য। যা দীর্ঘমেয়াদে সুফল বয়ে আনবে না বলে মনে করেন তারা।


এসএম

Print