ইসির পায়ে আওয়ামী জুতা

ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
টাইম নিউজ বিডি,
২৭ নভেম্বর, ২০১৮ ১৭:০৬:২৮
#

নির্বাচন এগিয়ে আসছে, এখন পুলিশ, প্রশাসন সবই সংবিধান অনুযায়ী চলে গেছে নির্বাচন কমিশনের হাতে। সে অনুযায়ী কমিশন কিছু কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। তারা বলছেন, এখন আর উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেয়া যাবে না। প্রধানমন্ত্রী নিজেও কোনো ফলক-টলক উন্মোচন করতে পারবেন না।


আবার তিনি বলেছেন, ১৫ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচনী মাঠে ছোট আকারে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। এসব কথা শুনতে ভালো লাগে। এ রকম দু-চারটি ভালো কথার আড়ালে ইসির যে মূল দায়িত্ব অর্থাৎ নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করা, সে দায়িত্ব পালনের পথেই যাচ্ছে না কমিশন।


প্রধানমন্ত্রী কথা দিয়েছেলেন, এখন থেকে নতুন কোনো মামলা হবে না। আর রাজনৈতিক মামলায় কাউকে গ্রেফতার করা হবে না। এ ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনকে সম্ভবত আগেই শিখিয়ে পড়িয়ে রাখা হয়েছে। তারা একেবারে প্রথম থেকেই আটঘাট বেঁধে মামলাগুলো দায়ের করেছে। রাজনৈতিক মামলা বলে তেমন কিছু রাখেনি। সাধারণত আমরা পত্রিপত্রিকায় দেখি, বিরোধী দল তথা বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের নামে নাশকতা, পুলিশের কাজে বাধাদান, অগ্নিসংযোগ, মারপিট প্রভৃতি গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


এগুলোকে রাজনৈতিক মামলা বলা যায় না। এখন যে গ্রেফতার অভিযান চলছে তাকেও রাজনৈতিক না বলার বিভিন্ন কৌশল পুলিশ অবলম্বন করেছে। নির্বাচন পর্যন্ত গায়েবি মামলা বা মিথ্যা মামলা দায়ের না করার জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দরকার ছিল; কিন্তু সে নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। নির্বাচন কমিশন পুলিশকে যে ভাষায় কথা বলে তাতে মনে হচ্ছে, পুলিশের কাছে যেন কমিশন দয়া চাইছে। ইসি পুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দিচ্ছে না। ফলে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। 


নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নিয়েও কমিশনের তরফ থেকে আজব আজব সব কথা বলা হচ্ছে। সাংবাদিকদের অদ্ভুত সব নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। পর্যবেক্ষকদের যে নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে, তা শুধু হাস্যকরই নয়, রীতিমতো অসম্মানজনক। নির্বাচনে পর্যবেক্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। নির্বাচন সুষ্ঠু বা অবাধ হয়েছে কি না, সেটি প্রধানত পর্যবেক্ষকেরাই মূল্যায়ন করেন। আর তাদের মূল্যায়নই অধিক মাত্রায় গ্রহণযোগ্য হয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে এক লাখ ৬০ হাজার দেশীয় ও ৬০০ বিদেশী পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। সে সময় আট কোটি ১০ লাখ ভোটারের জন্য ৩৫ হাজার ২৬৩ ভোট কেন্দ্র ছিল।


এবার ১০ লাখ ৪১ হাজার ভোটারের জন্য ভোটকেন্দ্র বাড়িয়ে ৪২ হাজার করা হয়েছে। কিন্তু কমেছে পর্যবেক্ষকের সংখ্যা। ফলে ভোট পর্যবেক্ষণ এবার অনেকটাই শিথিল হয়ে পড়বে। এখন ১১৮টি সংস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশনে নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ, যারা ২৩টি সংস্থা নিয়ে গঠিত, ১৯০৮ সালের নির্বাচনে ৭০ হাজার পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল। এবার তারা মাত্র ১৫ হাজার পর্যবেক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। বিদেশী পর্যবেক্ষকেরা আসছেন না। প্রধানত তাদের অর্থ সঙ্কটের কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে পর্যবেক্ষকের সংখ্যা কমবে বৈ বাড়বে না। পর্যবেক্ষক সংখ্যা কমার পেছনে বিদেশী তহবিলেরও একটি বিরাট ভূমিকা রয়েছে। নির্বাচনে দেশী পর্যবেক্ষকদেরও বিদেশীরা অর্থায়ন করে থাকে; কিন্তু এবার সেটি হচ্ছে না। ফলে পর্যবেক্ষক সংখ্যা কমছে।


এ দিকে গত ২০ নভেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশী পর্যবেক্ষক সংস্থার কর্মকর্তাদের ব্রিফিংয়ে কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এক অদ্ভুত নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘অনেক সাংবাদিক পর্যবেক্ষকদের সামনে ক্যামেরা ধরবেন, কিন্তু আপনারা কথা বলতে পারবেন না। কোনো সংবাদ মাধ্যমে টিভিতে লাইভে কথা বলতে পারবেন না। কমেন্টস করতে পারবেন না, ব্রিটেনের পুলিশের মতো মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে শুধু পর্যবেক্ষণ করবেন। লিখিত রিপোর্ট জমা দেয়ার আগেই কোনো মন্তব্য করা যাবে না।’ সংস্থার কর্মকর্তাদের তিনি বলেন, নিবন্ধন যাতে বাতিল না হয় সে দিকে তারা যেন খেয়াল রাখেন।


পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের উদ্দেশে সচিব বলেন, ‘যখন আপনারা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করবেন, তখন কয়েকটা সাবধানবাণী উচ্চারণ করবেন। নির্বাচন কমিশনের দেয়া পরিচয়পত্র সার্বক্ষণিক গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে, যাতে যে কেউ বুঝতে পারে যে, আপনি একজন পর্যবেক্ষক। প্রথমে কেন্দ্রে গিয়ে প্রিজাইডিং অফিসারকে নিজের পরিচয় দিতে হবে, কেন্দ্রে কোনো মোবাইল ফোন নেয়া যাবে না, কোনো ছবি তুলতে পারবেন না, কোনো কমেন্টস করতে পারবেন না। কেন্দ্রে যত প্রবলেমই হোক তা পর্যবেক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষক তার সংস্থার কাছে রিপোর্ট পেশ করবেন। তারপর পর্যবেক্ষণ সংস্থা তাদের সব পর্যবেক্ষকের রিপোর্ট কম্পাইল করে আমাদের কাছে প্রতিবেদন দেবেন।’


তিনি বলেন, পর্যবেক্ষণের সময় গোপন কক্ষে যাওয়া যাবে না, কাউকে নির্দেশনা দিতে পারবেন না, প্রিজাইডিং-পোলিং অফিসারকে কোনো পরামর্শ দিতে পারবেন না। পর্যবেক্ষকদের এগুলো ক্লিয়ার করে বলে দেবেন। যদি কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম হয়, এটা তারা কমিশনকে অবহিত করতে পারেন বা আপনাদের (সংস্থা প্রধানদের) লিখিতভাবে অবহিত করতে পারেন। হেলালুদ্দীন বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ে আমাদের ১১৯টি পর্যবেক্ষক ছিল। তার মধ্যে একটি সংস্থার বিরুদ্ধে এনজিও ব্যুরো থেকে এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দফতর থেকে অভিযোগ আসায় নির্বাচন পর্যবেক্ষক নীতিমালা অনুসরণ করে সেটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।’


হেলালুদ্দীন সংস্থা প্রধানদের সতর্ক করে বলেন, ‘একজন পর্যবেক্ষকের কারণে কিন্তু আপনি নিজেও (সংস্থা প্রধান) বিপদে পড়ে যেতে পারেন। আমাদের নীতিমালায় বলা আছে যে, আপনি যদি কোনো শর্ত ভঙ্গ করেন, তাহলে কিন্তু আপনাদের নিবন্ধন বাতিল হয়ে যেতে পারে। এ জন্য খুব সতর্কভাবে এর পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ফলো করে দায়িত্ব পালন করবেন।’


সচিব বলেন, আপনারাও রিপোর্ট কম্পাইল করে জমা দেয়ার আগে কোনো কমেন্টস করবেন না। রিপোর্ট কম্পাইল হলে প্রয়োজনে সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন এবং আমাদের কাছে জমা দিতে পারবেন। আপনাদের আচরণ হবে নিউট্রাল। এমন কোনো ব্যক্তিকে আপনারা নিয়োগ করবেন না, যিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য এগুলো আপনাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে।’ সংস্থা প্রধানদের সতর্ক করে দিয়ে সচিব বলেন, ‘একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন, নিবন্ধন যাতে বাতিল না হয়, সে দিকে আপনারা খুব বেশি খেয়াল রাখবেন, আপনারা অনেকেই কিন্তু এনজিও হিসেবে কাজ করেন। অন্যান্য কাজের পাশাপাশি আপনারা নির্বাচনেও কাজ করেন।


কিন্তু এখান থেকে যদি আমরা রিপোর্ট দিই যে, আপনি এ ধরনের একটি আচরণ করেছেন যেটার জন্য নির্বাচনটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে, তাহলে কিন্তু আপনার নিবন্ধনটা বাতিল করার জন্য যারা নিবন্ধন দেয় তাদেরকেও আমরা চিঠি দেবো। সুতরাং বি কেয়ারফুল। আপনারা এমন কোনো আচরণ করবেন না, এমন কোনো কাজ করবেন না যার জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়াটা ভণ্ডুল হতে পারে বা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।’


সচিবকে এতটা উদ্ধৃত দেয়ার হয়তো প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু এ কথা সত্য যে, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য যারা দায়িত্ব পালন করেন, তারা একই সাথে এনজিও ও বিভিন্ন রকম ফান্ডিংয়ের জন্য তাদের এনজিও ব্যুরোর ওপর নির্ভরশীল থাকতে হয়। কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন মোটামুটি খোলাখুলিভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন যে, ভেতরে যত অনিয়মই হোক পর্যবেক্ষকদের চুপ করে থাকতে হবে, একেবারে ব্রিটিশ পুলিশের মতো। যেসব পুলিশ বিভিন্ন পাহারার কাজে নিয়োজিত থাকে।


তা যদি কেউ না মানে, তবে এনজিও ব্যুরোতে তাদের নিবন্ধন বাতিল করার জন্য চিঠি দেয়া হবে। এতে সংস্থাটির পুরো কার্যক্রমই বন্ধ হয়ে যাবে। পর্যবেক্ষকেরা যদি অনিয়ম লক্ষ করেন এবং তা প্রকাশ করতে না পারেন, তাহলে এই পর্যবেক্ষণের কোনো মানে হয়? তার চেয়ে এটা বললেই ভালো হতো যে, নির্বাচনে কোনো পর্যবেক্ষককে প্রবেশই করতে দেয়া হবে না। জনাব হেলালুদ্দীন তার এক বক্তব্যের ব্যাখ্যায় একবার বলেছিলেন, তিনি কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন না। সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশন। তিনি তা শুধু প্রকাশ করেন মাত্র। সে ক্ষেত্রে এ রকম বর্বর সিদ্ধান্তের জন্য আমরা তো কমিশনকে দায়ী করব। কেন গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াটা স্বচ্ছ হতে পারবে না। সরকার শত পথে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রুদ্ধ করে দিচ্ছে, বাকস্বাধীনতা হরণ করে নিচ্ছে, নির্বাচন কমিশনও হাঁটছে সে পদচিহ্ন ধরে। তারাও পর্যবেক্ষকদের মুখে কুলুপ এঁটে দিতে চায়। ফলে ধারণা করা যায়, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ একটি প্রহসনে পরিণত হতে যাচ্ছে।


এ দিকে কমিশন বিশ্বব্যাপী বিতর্কিত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারে গোঁ ধরেই আছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই মেশিন কার্যকারিতা হারিয়েছে। বহু দেশ ইভিএম থেকে সরে এসেছে, কোনো কোনো দেশে অল্প কিছু জায়গায় ব্যবহার করা হচ্ছে। এ রকম একটা বাতিল পদ্ধতির পেছনে নির্বাচন কমিশন চার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করার পরিকল্পনা কেন নিল, সেটিও রহস্যময়। কিছুকাল আগে ভারতের পার্লামেন্টে বিরোধী দলের সদস্যরা ডিসেপ্লে করে দেখিয়েছেন, কিভাবে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট কারচুপি করা যায়। সেখানেও সীমিত ক্ষেত্রে ইভিএম ব্যবহার করা হয়।


গত ২২ নভেম্বর ঢাকার একটি হোটেলে ইভিএমে কিভাবে কারচুপি করা যায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট তা প্রদর্শন করে দেখিয়েছে। ইভিএমের মূল ভোটিং প্রোগ্রাম পরিবর্তন করা যায় এবং এর মাধ্যমে ভোটের ফলাফল পরিবর্তন করা সম্ভব। নির্দিষ্ট সময়ের পর যে প্রার্থীকেই ভোট দেয়া হোক না কেন তা নির্ধারিত মার্কায় যাবে। অর্থাৎ আপনি ‘ক’কে ভোট দিচ্ছেন, বেলা ১১টা পর্যন্ত তা ঠিক ঠিকভাবেই ‘ক’র ঘরেই পড়বে; কিন্তু ১১টার পরে যে মার্কায় ভোট দেন না কেন সবই ‘ক’র ঘরে যাবে না।


কোনো ব্যালট ইউনিটি ‘ক’ মার্কা নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে বেশি ভোট পায় তবে পরবর্তী সব ভোট ‘খ’ মার্কায় যাবে। অর্থাৎ ‘ক’ মার্কার জন্য যদি বরাদ্দ থাকে ১শ’ ভোট তাহলে ১শ’র পরে ওই ঘরে আর কোনো ভোট পড়বে না। সব পড়বে ‘খ’ মার্কায়। আবার ভোটের ফলাফল যাই হোক না কেন, ফলাফল ডিসপ্লেতে পূর্বনির্ধারিত ফলাফলই প্রদর্শন করবে। প্রিজাইডিং অফিসার কোনো একটি নির্দিষ্ট ঘরে ইচ্ছা করলে নিজেই বহুসংখ্যক ভোট দিতে পারবেন। আবার গোপনীয়ভাবে ওয়্যারলেস ডিভাইজ সংযুক্ত করে ওয়্যারলেস প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূর থেকেই ভোটের ফলাফল নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।


এই যদি পরিস্থিতি, তাহলে ইভিএম মেশিনের পেছনে কেন লেগে রয়েছে নির্বাচন কমিশন। কাকে সাহায্য করতে? কাকে ভোটে জিতিয়ে দিতে? এখন আর অস্পষ্ট নেই যে, নির্বাচন কমিশন সরকারের তাঁবেদারি করে যাচ্ছে, কোথায় কোনো শক্ত অবস্থান নিচ্ছে না। এ দিকে আবার ৬৪ জেলায় রিটার্নিং অফিসারের ওপরে ৪৫ জন সচিব ও সাবেক সচিবকে নিয়ে একটি মেনটর কমিটি গঠন করেছিল। তারা পদমর্যাদায় রিটার্নিং অফিসারের অনেক উপরে। তাদের নিয়োগ হয়েছিল যাতে তারা রিটার্নিং অফিসারদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।


এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠলে শেষ পর্যন্ত মেনটর কমিটি বাতিল করা হয়। সমালোচনা ইসি করেনি বা বাতিলও ইসি করেনি। উপরন্তু সরকার পুলিশ ও প্রশাসনকে যেভাবে সাজিয়েছে নির্বাচনে কারচুপি করার জন্য, তার কোনোরূপ পরিবর্তনই নির্বাচন কমিশন করেনি। তাতে মনে হয় কমিশন সরকারের সাজানো কাঠামোর ভেতরেই নির্বাচন করতে যাচ্ছে। এর কোনোটাই স্বচ্ছ পদ্ধতি নয়, আসলে মানুষের পিঠ এই সরকারের দুঃশাসন, অপশাসন, নির্যাতন ও দুর্নীতিতে দেয়ালে ঠেকে গেছে, এবার সম্ভবত তারা প্রতিরোধ ব্যূহ তৈরি করবে।


লেখক: ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক। 



(বি. দ্র. মতামত লেখকের একান্ত নিজস্ব। টাইমনিউজবিডির সম্পাদকীয় নীতিমালার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই) 


এমবি

Print