আপনার কিডনি ঠিক আছে?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
২৪ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৪:৩২:১৫
#

বর্তমান সময়ে দিন দিন বেড়েই চলেছে কিডনির সমস্যা। সাধারণত কিছু অসতর্কতার জন্যই দেখা দেয় এই ধরণের সমস্যা যা পরবর্তীতে কিডনি ড্যামেজের কারণে পরিণত হয়। তবে কিছু পন্থা আছে যা কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।


কিডনি রক্ত ফিলটার করে, মূত্রের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে, হর্মোন উৎপাদন করে। এই সব ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিলে তার অর্থ, কিডনি ঠিকমতো কাজ করছে না। কিডনি ভালো রাখার পন্থাগুলো দেখা যাক।


সচল থাকুন! সক্রিয় থাকুন!


খেলাধুলা, হাঁটাচলা, এক্সারসাইজ হল ব্লাড প্রেসার কমিয়ে রাখার এবং ডায়াবেটিস রোখার শ্রেষ্ঠ পন্থা। ডায়াবেটিস থেকেই কিডনি’র সমস্যা দেখা দেয়। ডায়ালিসিস পেশেন্টদের ৩০ শতাংশ হল ডায়াবেটিসের রোগী।


ব্লাড সুগার চেক করান!


ব্লাড সুগারের লেভেল স্টেডি থাকা চাই। উচ্চ ব্লাড সুগার কিডনির ভেতরের ব্লাড ভেসেল’গুলোর ক্ষতি করে, ফলে ঠিকমতো রক্ত পরিশোধন হয় না। ব্লাড সুগার ঠিক থাকলে, কিডনিও ভালো থাকে।


ব্লাড প্রেসারের খেয়াল রাখুন!


উচ্চ রক্তচাপ কিডনি ফেইলিওর-এর দ্বিতীয় প্রধান কারণ। দীর্ঘমেয়াদে হাই ব্লাড প্রেসার ব্লাড ভেসেলগুলোর ক্ষতি করতে পারে। কিডনির কর্মক্ষমতা অক্ষত রাখার জন্য রক্তচাপ ১৪০/৯০-এর বেশি হলে চলবে না।রক্তচাপ কম রাখার জন্য দরকার পড়লে ওষুধ খেতে হবে।


স্বাস্থ্যকর খাবার খাবেন!


কথায় বলে ‘ব্যালেন্সড ডায়েট’, মানে ফলমূল, শাকসবজি, ফাইবার ইত্যাদি খেয়ে ওজন ঠিক রাখা প্রয়োজন। বেশি মোটা হওয়ার সঙ্গে রক্তের উচ্চচাপ এবং ডায়াবেটিস, উভয়েরই যোগ আছে৷ যতো কম সম্ভব লবণ খাওয়া উচিত, কেননা অতিরিক্ত পরিমাণ লবণ কিডনির ক্ষতি করে।


পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি খাবেন!


শরীর থেকে হানিকর পদার্থ ফিলটার করে বার করার জন্য কিডনির পানি লাগে৷ কাজেই দিনে দেড় থেকে দু’লিটার পানি খাওয়া উচিত৷ ক্রীড়াবিদদের আরো বেশি পানি লাগবে৷ ডায়ালিসিস-এর পেশেন্টদের অনেক কমেই কাজ চলে যায়।


ধূমপান ছাড়ুন!


ব্লাড ভেসেল-এর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে ধূমপান৷ এছাড়া সাধারণভাবেই ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর।


পেইনকিলার বেশিদিন নেবেন না!


বহুদিন ধরে ব্যথা কমানোর ওষুধ খেলে কিডনির ক্ষতি হয়৷ আগে থেকেই কিডনির ক্ষতি হয়ে থাকলে, বাজারে কেনা যায়, এমন পেইনকিলার নেওয়াটাও বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়াতে পারে৷ সর্বক্ষেত্রেই ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করে দেখা ভালো।


প্রতি বছর কিডনি চেক করান!


বিশেষ করে যাঁরা বেশি ঝুঁকিতে আছেন: যাঁদের বয়স ষাটের বেশি; যাঁদের ডায়াবেটিস কিংবা হাই ব্লাড প্রেসার আছে; যাঁদের মেদ বেশি অথবা যাঁদের পরিবারের কারুর কিডনি ফেইলিওর হয়েছে। 


এএস

Print