অনশনকারীদের কিছু হলে প্রশাসনকে জবাব দিতে হবে: নুর

টাইম ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
১৪ মার্চ, ২০১৯ ১৮:৩১:২২
#

পুনঃনির্বাচন গ্রহণ, প্রভোস্টের পদত্যাগ, ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার দাবিতে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশন করছেন বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থী। এসব শিক্ষার্থীরা সঙ্গে এখন পর্যন্ত হল বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কেউ তাদের সঙ্গে দেখা করেননি। তারা নিরাপত্তার হুমকিতেও ভুগছেন।


বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে অনশনকারীদের সঙ্গে কথা দেখা করে এসব কথা জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুর।


নুর বলেন, ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট কারচুপি হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ ফলাফল মানে না। পুনঃতফসিল ঘোষণা করে নতুন করে নির্বাচন চাই সবাই। তাদের দাবিগুলো যত দ্রুত সম্ভব মেনে নিতেও ঢাবি প্রশাসনের অনুরোধ জানান তিনি।


রাজু ভাস্কর্যে অনশনে বসা ছয় শিক্ষার্থী হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তাওহীদ তানজিম, দর্শন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অনিন্দ্য মণ্ডল, পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাঈন উদ্দিন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শোয়েব মাহমুদ, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রনি হোসেন এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাফিয়া তামান্না। এর মধ্যে তাওহীদ তানজিম ডাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। শোয়েব মাহমুদ, অনিন্দ্য মণ্ডল ও মাইন উদ্দিন হল সংসদের বিভিন্ন পদে প্রার্থী ছিলেন।


যে চারটি দাবিতে তারা অনশন করছেন সেগুলো হলো- রোকেয়া হল সংসদের পুনঃনির্বাচন, হল প্রভোস্টের পদত্যাগ, শিক্ষার্থীদের নামে মামলা প্রত্যাহার ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।


অনশনরত সায়িদা আফরিন বলেন, আমরা রোকেয়া হলের পুনঃনির্বাচন, হল প্রভোস্টের পদত্যাগসহ চার দাবিতে অনশন করছি। আমরা হল প্রধ্যক্ষের সঙ্গে দেখাও করতে চেয়েছি। কিন্তু তিনি আমাদের সঙ্গে দেখা করেননি।


অনশনকারীরা বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে এই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে, কলঙ্কিত হয়েছে। নির্বাচনের দিন যেভাবে ভোটারদের বাধা দেওয়া হয়েছে, তা গণতান্ত্রিক চেতনার বিরোধী। তাই তারা ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচন বাতিল করে পুনঃতফসিল ঘোষণার মাধ্যমে নতুন করে ডাকসু নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান তারা।

Print