জনগণের আস্থার মূল্যায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
১৪ মার্চ, ২০১৯ ২২:৪২:১৯
#

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণ সরকারের ওপর যে দৃঢ় আস্থা রেখেছে তার মূল্যায়ন করা হবে। আজ বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রণদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।


এ সময় মানবতার কল্যাণে রণদা প্রসাদ সাহার মতো বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।


সকাল থেকেই জাতির জনকের দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে স্বাগত জানাতে মির্জাপুরে আয়োজন ছিল বর্ণাঢ্য আর উৎসবমুখর। ছোটবোন শেখ রেহানাকে নিয়ে সবুজ চাদরে ঢাকা কুমুদিনী কমপ্লেক্সে যখন প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন দৃষ্টিনন্দন কুচকাওয়াজে তাদের বরণ করে নেয় ভারতেশ্বরী হোমসের শিক্ষার্থীরা।


কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা রণদা প্রসাদ সাহার সম্মানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম এবং শিল্পী শাহবুদ্দীনকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়।


হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর পক্ষে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা এবং কাজী নজরুল ইসলামের পক্ষে খিলখিল কাজী পদক গ্রহণ করেন।


এ সময় শহীদ রণদা প্রসাদ সাহার মতো জনকল্যাণে ভূমিকা রাখতে বিত্তবানদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে লঞ্চে-স্টিমারে এখানে আসতে হতো। যোগাযোগ ব্যবস্থাটাই এ রকম ছিল। সেই অজপাড়াগাঁয়ে রণদা প্রসাদ সাহা এই বিশাল কর্মযজ্ঞ গড়ে তুলেছিলেন শুধু মানুষের কল্যাণে। মানুষকে মানুষের মতো বেঁচে থাকার জন্যই এই আয়োজন করেছিলেন তিনি।


আমি মনে করি, নারীশিক্ষার প্রসার, আর্তমানবতার সেবায় তিনি যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, সেটি অনুসরণ করে আমাদের দেশে যারা বিত্তশালী আছেন তাঁরাও এগিয়ে আসতে পারেন। তাহলে আমাদের দেশের মানুষের আর কোনো কষ্ট থাকবে না।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে জনগণই তাঁর মূলশক্তি। স্বজন হারানোর বেদনা নিয়েই কিন্তু আমার যাত্রা শুরু। বাবা-মা-ভাই হারিয়ে যখন দেশের মাটিতে ফিরে আসি, আমার চারদিকে শুধু অন্ধকার।


কিন্তু একটাই আলোকবর্তিকা পেয়েছিলাম, সেটা হচ্ছে এ দেশের জনগণ। সেই জনগণের ভারোবাসা পেয়েছি, সেই জনগণের আস্থা পেয়েছি। জনগণের সেবার জন্য আমার বাবা যে দেশ স্বাধীন করে গেছেন।’   


এর আগে মির্জাপুর পৌঁছে টাঙ্গাইলের ১২টি উন্নয়ন প্রকল্প এবং ১৯টি প্রকল্পের ভিওিপ্রস্তর স্থাপন স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এমআর

Print