ক্রাইস্টচার্চে নিহতদের স্মরণে নববর্ষে উৎসব করবেন না তামিম

স্পোর্টস ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
১৪ এপ্রিল, ২০১৯ ১৫:২০:২১
#

আজ পহেলা বৈশাখ। বঙ্গাব্দ ১৪২৬-এর প্রথম দিন। বাংলার ঘরে ঘরে আজ উৎসবের আমেজ। কাছের মানুষরা বলেন, তামিম যেন প্রয়াত পিতা ইকবাল খানের কার্বন কপি। ইকবাল খান ছিলেন প্রাণখোলা স্বভাবের মানুষ।


ভোজনরসিক। নিজে ভালো খেতে পছন্দ করতেন। পাশাপাশি বন্ধু-বান্ধব, সুহৃদ ও শুভানুধ্যায়ীদের নিয়েও একসঙ্গে হৈ চৈ করা এবং অতিথি আপ্যায়ন ছিল তার বিশেষ গুণ।


হাজার বছরের ঐতিহ্যের বহমানতায় আজ বাঙালি হারিয়ে যাবে বাঁধাভাঙা উল্লাসে। লাখো মানুষ আজ ঘরের বাইরে ছুটে আসবে বাঁধভাঙা উল্লাসে মাততে।


আর এই উল্লাস মেতে উঠে ক্রিড়াঙ্গনও। তারা ও তাদের পরিবার নিয়ে পালন করে এই উৎসব। কিন্তু এবছরটি উৎযাপন করবেন না বাংলাদেশের ওপেনিং ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। ক্রাইস্টচার্চ নিহতের স্মরণে এই উৎযাপন করা থেকে বিরত থাকবেন তিনি।


এক প্রতিবেদকের সাথে সাক্ষাৎকারে তামিম বলেন, ‘প্রতিবার অনেক মজা করি। খেলা না থাকলে, ফ্রি থাকলে পরিবার ও বন্ধু আপনজনের সাথে হৈ চৈ করে কাটাই। তবে এবার পহেলা বৈশাখটা আমি সাদামাটাভাবে পালন করতে চাই।


অন্যবারের মত হৈ চৈ ও ঘটা করে পালনের ইচ্ছে নেই। আর সেটা মোটেই ভালো দেখাবে না। খুব খারাপ দেখায়, খানিক অমানবিকও হবে।’

পরক্ষণেই তিনি আরো বলেন, ‘এইতো সেদিন নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে আমরা হারিয়েছি আমাদের দেশের ৫জন ভাইকে।


তাদের পরিবারের কি অবস্থা এখন? দেশের বাইরে প্রবাসে সন্ত্রাসী হামলায় অকালে ঝড়ে গেছে ৫০টি তরতাজা প্রাণ। তাদের আপনজনদের কান্না থামেনি এখনো। তারা প্রতিনিয়ত সেই নিহত হওয়াদের অভাববোধ করছেন।


সেখানে আমরা যদি বর্ষ বরণে উচ্ছাস-উল্লাসে মেতে উঠি, সেটা কেমন দেখায়? তাই আমি কোনরকম ঘটা করে বর্ষবরণে না গিয়ে যারা মর্মান্তিকভাবে সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। আল্লাহ তাদের পরিবারের ওপর দয়া বর্ষণ করুন- এটাই আমার নববর্ষের কামনা এবার।’


এএস


 

Print