তুর্কি বন্ধুত্ব পুরষ্কার জিতেছে ২০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ১৮:৩৩:১৭
#

বাংলাদেশ-তুরস্ক বন্ধুত্ব শিল্প প্রতিযোগিতায় ২০ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।


সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।


বিশ জনের মধ্যে তিনজন বিজয়ী- সাবাহ বিনতে বাইজিদ, সিরাতুলুল মুন্তাহা ও এসএম আবিহিনুর তুর্কি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় তুরস্কে ভ্রমণ করবেন।


সফরকালে তিন শিক্ষার্থী বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন এবং তুরস্কের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার জন্য বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করবেন।


পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ভাষণকালে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত দেভরিম ওজতুরক বলেছেন, "তুরস্ক ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধির এটি প্রথম পদক্ষেপ"।



রাষ্ট্রদূত মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলির মধ্যে সম্পর্কের ঐতিহাসিক শিকড়কে জোর দিয়ে বলেন, আগামীতে পারস্পরিক সম্পর্কের মাধ্যমে তাদের আরও সম্পর্ক শক্তিশালী হবে।


আনাদোলু এজেন্সি তাকে উদ্ধৃত করে বলেছে, এই ধরনের প্রতিযোগিতা উভয় দেশের তরুণরা একে অপরের সাথে ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে বর্তমান ভ্রতৃত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।


এই প্রতিযোগিতাটি তুর্কি কোঅপারেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন এজেন্সি (টিআইকেএ) এবং বাংলাদেশ জাতীয় শিশু একাডেমীর সহযোগিতায় ছিল।


টিআইকে কো-অর্ডিনেটর ইসমাইল গুন্ডোগু বলেন, "২০টি পুরস্কৃত পেইন্টিং টিআইকেএর আঙ্কারা অফিসে প্রদর্শিত হবে যাতে তুরস্কের নাগরিকরা তুরস্ক সম্পর্কে নতুন প্রজন্ম কেমন অনুভব করে তা জানতে পারেন।"


তিনি বলেন, ৯ থেকে ১৩ বছর বয়সী কয়েকশো কিশোরী শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল এবং তারা সবাই তুরস্ক-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছে।



তিনি বলেন, যেহেতু এটি একটি প্রতিযোগিতা,তাই আমাদের ২০ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করতে হয়েছে। যদি কোন সুযোগ থাকে তবে আমরা সব অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কৃত করব।


শিশু একাডেমীর চেয়ারম্যান সেলিনা হোসেন বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য তুর্কি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, "এটি উভয় দেশের মধ্যে ভবিষ্যতের সম্পর্ককে আরও দৃঢ়ভাবে সহায়তা করবে।"


পুরস্কারপ্রাপ্তদের পক্ষে প্রথম পুরস্কার বিজয়ী বাইজিদ বলেন, আমি তুরস্ক এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে অনেক পছন্দ করি। আমি খুব খুশি, কারণ আমি তুরস্ক সফর করতে যাচ্ছি"


দ্বিতীয় পুরস্কার বিজয়ী সিদরাতুল মুন্তাহা বলেন, আমাদের সৃজনশীলতা দেখানোর এবং তুরস্ক সম্পর্কে জানতে এটি একটি দুর্দান্ত সুযোগ।


তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ী এসএম আবতাহিনুর বলেন, তিনি বিশেষ করে তুরস্ক সফরের সুযোগের জন্য এবং পুরস্কার লাভের জন্য খুব খুশি।


এমআর

Print