বিএনপির এমপিরা শপথ নিলে জাতীয় বেঈমান হবেন: অলি

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
১৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০১:৪০:২৮
#

২০ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেছেন, দেশের ১৬ কোটি মানুষকে অসম্মান করে বিএনপির এমপিরা জাতীয় সংসদে শপথ নিলে জাতীয় বেঈমান হিসেবে চিহ্নিত হবেন।


লোভে পড়ে জাতির সঙ্গে বেইমানি করার কোনো কাজে এলডিপি সমর্থন করবে না। ভোটারদের সঙ্গে অসম্মান করে যদি সংসদে যায় সেটা তিনি সমর্থন করবেন না।


বুধবার রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএসের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।


বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির শর্তে সংসদে যাওয়ার বিষয়ে অলি বলেন, যদি এরকম কোনো কারণে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় তাহলে বুঝতে হবে- কেউ লাভবান হওয়ার জন্য, দলকে বিপদে ফেলার জন্য এবং খালেদা জিয়াকে ব্ল্যাকমেইল করার জন্য এটা করা হচ্ছে। বিএনপিকে বিপদগামী করার জন্যই এটা করা হচ্ছে।


তিনি বলেন, জিয়া পরিবারের সঙ্গে তার আত্মীক সম্পর্ক। খালেদা জিয়া কখনো নিজের সুবিধার জন্য কারও সঙ্গে আপোষ করবেন না বলেই তার আত্মবিশ্বাস রয়েছে।


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ১০ ডিসেম্বর থেকে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এলাকাছাড়া। ৯০ ভাগ বিরোধী দলীয় প্রার্থী নিজ ঘর থেকে বের হতে পারেননি। ২৯ ডিসেম্বর রাতে ৬০ থেকে ৭০ ভাগ ভোট কেটে নেয়া হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বরও ভোট দিতে দেয়া হয়নি। এ রকম নির্বাচনে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৮ জনকে বিজয় লাভের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। যা বিস্ময়কর ও ৮ম আশ্চর্যের ঘটনার মতো।


এলডিপি সভাপতি বলেন, দেশের জনগণ আজ নির্যাতিত। জনগণের মতামতকে বাদ দিয়ে সংসদে যাওয়ার ঘটনা মানবিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণযোগ্য হবে না।


খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য এই দলকেই উদ্যোগী হতে হবে। কারণ খালেদা জিয়া কোনো অন্যায় করেননি। যে অপরাধে তাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে তার সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন না। রাজনৈতিকভাবে বিএনপিকে নির্মূল করার জন্য এটা করা হয়েছে। তাই রাজনৈতিকভাবেই এটাকে মোকাবেলা করতে হবে।


অলি আহমদ বলেন, নেতাদেরকে রাজপথে নামতে হবে। ঈমান ও সাহস নিয়ে ১৬০ থেকে ১৭০ জন নেতা রাজপথে নামলেই আন্দোলন সফল হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।


দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, দেশের বিচার ব্যবস্থা বিধ্বস্ত। কোথাও আইনের শাসন নেই। তবে শুধু বিরোধী দলের জন্য আইনের অপব্যবহার রয়েছে।


এমআর

Print