মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে চলছে সহযোগীরা

টাইম ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
০৮ জুন, ২০১৯ ১৫:৫৭:১৩
#

আওয়ামী লীগের  ২২তম কেন্দ্রীয় সম্মেলনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে এলেও খবর নেই সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সম্মেলনের। কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন,অক্টোবরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগে সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সম্মেলন সম্ভব নয়। কারণ, এবার তারা এসব সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে চান।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মেয়াদ দুই বছর। কিন্তু চার বছর হয়ে গেলেও নতুন কমিটি পায়নি ক্ষমতাসীন দলের চার সহযোগী ও ভাতৃপ্রতীম সংগঠন। 

আওয়ামী লীগের ৭টি সহযোগী সংগঠনের মধ্যে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছে ২০১২ সালের ১১ই জুলাই। একই বছরের ১৪ই জুলাই সম্মেলন হয় আওয়ামী যুবলীগের। ১৯ জুলাই হয় কৃষকলীগের সম্মেলন। আর ভাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মধ্যে জাতীয় শ্রমিক লীগের  সর্বশেষ সম্মেলন হয় ২০১২ সালের ১৭ই জুলাই। 

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন,বিভিন্ন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সহযোগীদের সম্মেলন অনুষ্ঠান করা সম্ভব হয়নি। দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, 'বিএনপি জামায়াতের বিধ্বংসি রাজনীতি। তারপর নির্বাচন এলো, সে নির্বাচন মোকাবেলা করা। এ সব মিলিয়ে পারিপার্শ্বিক ব্যস্ততার কারণে আমাদের সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন করতে পারিনি।'

মেয়াদোর্ত্তীণ কমিটির কারণে এসব সংগঠনে গতিশীলতা হ্রাস পেয়েছে বলেও মনে করেন নেতারা। জাহাঙ্গীর কবির নানক আরও বলেন, 'কমিটির নির্বাচন যদি ঝুলে যায় তবে সংগঠনের ভিতরে একটি অচলায়তন বা অচলাবস্থার সৃষ্টি হয় এ কথা অস্বীকার করা যাবে না।'

আওয়ামী লীগরে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কর্নেল (অব:) ফারুক খান বলেন, 'যেহেতু এ বছরের মধ্যে আমরা আমাদের জাতীয় সম্মেলন করবো। সেহেতু সম্মেলনের মাধ্যমে আমাদের সহযোগী সংগঠনের কমিটি করা হবে। সেটা এ সময়ের মধ্যে যতটা সময় পাই তার মধ্যে করার চেষ্টা হবে। এ বছর না হলে আগামী বছরের প্রথম দিকে করা হবে।'

এ নেতারা জানান, তৃণমুলে  সাংগঠনিক সফরের মধ্য দিয়ে দলকে ঢেলে সাজাতে কাজ শুরু হয়েছে।


এসএম

Print