১৫৫ বছর পর কারাগারে একটা রুটি আর গুঁড়ের সমাপ্তি

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
১৬ জুন, ২০১৯ ২০:১৫:৩২
#

স্যাঁতসেতে ঘর, আলো-বাতাসের সেখানে প্রবেশ নিষেধ। অন্ধকার খুপরিতে এক কয়েদির প্রায় ঘাড়ের ওপর অন্য জনের থাকা।


নিম্ন মানের খাবার, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। জেলখানা বলতে চোখের সামনে ভেসে ওঠে এই পরিচিত দৃশ্যগুলিই।


কিন্তু জেলের চেনা সংজ্ঞাই যদি বদলে যায় কখনও? তারি যেন এক পরিবর্তন। ১৮৬৪ সাল থেকে কারাগারে বন্দীদের সকালের নাস্তায় একটা রুটি ও এক টুকরো গুঁড় দেওয়া হতো। তবে ১৫৫ বছর পর এবার এ ব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে।


আজ রোববার সকাল ৮টা থেকে কারাবন্দীদের সকালের নাস্তায় পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেল সুপার।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান আজ রোববার সকালে কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুরের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সকালের নাশতার খাবার পরিবর্তন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। তিনি নিজ হাতে বন্দীদের মধ্যে নতুন নির্ধারিত খাবার তুলে দেন।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকে কারাগারের বন্দী ও হাজতিদের জন্য সকালের নাশতা ছিল রুটি ও সামান্য গুড়। অনেক সময় পেরিয়ে গেছে, এটা সংশোধিত হয়নি।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটা দেখে যুগোপযোগী স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশনা মোতাবেক আজ থেকেই সারা দেশের কারাগারে খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে।


সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে বন্দীদের দুদিন খিচুড়ি, চার দিন সবজি-রুটি ও এক দিন দেওয়া হবে হালুয়া-রুটি।


সরকারের এই পরিবর্তনে খুশি জেলখানার বন্দীরা। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেনের পক্ষে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাহজাহান আলী।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের জেল সুপার মোঃ বজলুর রশিদ আখন্দ। কারাবন্দীরা এই পরিবর্তন ও নতুন নাস্তা পেয়ে খুশি বলে জানিয়েছেন জেল সুপার।


এএস

Print