উপকূলে জেলেদের চাল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

কক্সবাজার করেসপন্ডেন্ট
টাইম নিউজ বিডি,
২৫ জুন, ২০১৯ ১৩:২২:৪৮
#

সাগরে ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধের ঘোষণায় দারুণ কষ্টে সময় কাটছে কক্সবাজার উপকূলের জেলেদের।


উপকূলে দু'লক্ষাধিক জেলে ও মৎস্য শ্রমিক থাকলেও সহায়তার আওতায় এসেছে মাত্র নিবন্ধিত জেলেরা।


আর সরকারি সহায়তা হিসেবে ৪০ কেজি চাল বিতরণেও অনিয়ম করছেন জনপ্রতিনিধিরা বলে অভিযোগ জেলেদের।


কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা নুনিয়ারছড়া। এখানকার অধিকাংশ মানুষ সাগরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। এখন সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সাগরে মাছ শিকার বন্ধ।


তাই দেখা নেই মাছ বেচা-কেনা কিংবা প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যস্ততার দৃশ্য। গত ২০ মে থেকে বেকার হয়ে যাওয়ায় জেলে ও শ্রমিক পরিবার অনেকটা কষ্টে দিন পার করছে।


তাদের অভিযোগ, সরকারি সহায়তা পাচ্ছে কেবল নিবন্ধিত জেলেরা। আর ৪০ কেজি চাল দেয়ার কথা থাকলেও তা ঠিকমত দিচ্ছেন না জনপ্রতিনিধিরা।


তবে চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন জনপ্রতিনিধি। আর সাগরে মাছ ধরা বন্ধকালীন প্রকৃত জেলে ও মৎস্য শ্রমিকদের পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তার দাবি এ শ্রমিক নেতার।


কক্সবাজার পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান বলেন, এদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাদের ৪০ কেজি করে চাল দিয়েছি।


কক্সবাজার ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের যুগ্ম আহ্বায়ক কলিম উল্লাহ বলেন, জেলেদের জন্য যে সাহায্য আসে তার অর্ধেক তারা পান বাকিটা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা লুটপাট করছেন। আমরা চাই প্রকৃত জেলেরা সরকারের দেয়া সবটুকু সহায়তাই যেন পান।


অবশ্য জেলা প্রশাসক জানালেন, জেলেদের চাল বিতরণে কোন অভিযোগ হলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


কক্সাবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, চাল যে ৪০ কেজির কম দেয়া হয়েছে এমন কোনো অভিযোগ জেলা প্রশাসনের কাছে আসেনি। যদি এমনটা হয়ে থাকে তবে তা অত্যন্ত গর্হিত হয়েছে। এ ধরণের কোনো অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আমাদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


জেলা মৎস্য অফিসের দেয়া তথ্য মতে, সরকারি সহায়তার আওতায় প্রায় ৪৬ হাজার নিবন্ধিত জেলে। তবে এখনো সহায়তা পায়নি রামু উপজেলার ২২’শ নিবন্ধিত জেলে।


এএস


 

Print