ট্রাম্প ও কিমের দেখা হবে দুই কোরিয়ার সীমান্তে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
৩০ জুন, ২০১৯ ১৬:২২:৩৯
#

দুই কোরিয়াকে বিভক্তকারী ডিমিলিটারাইজড জোনে (ডিএমজেড) তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে অল্প সময়ের জন্য সাক্ষাৎ করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।


রোববার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল থেকে ওই জোন পরিদর্শনে যাবেন ট্রাম্প, সেখানেই তার সঙ্গে কিমের দেখা হবে।


এক টুইটে আপাত স্বতঃস্ফূর্ত আমন্ত্রণে ওই জোন পরিদর্শনের সময় তার সঙ্গে যোগ দিতে কিমকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ট্রাম্প, তার ফলশ্রুতিতেই দুই নেতার নজিরবিহীন এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।


বিবিসি জানিয়েছে, দুই কোরিয়ার সীমান্তে তারা ‘শান্তির জন্য হ্যান্ডশেক’ করবেন বলে সিউলে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন।


তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে উত্তর কোরিয়া কোনো মন্তব্য করেনি।


এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছিল, তিনি ও কিম উভয়েই ওই জোনে পরস্পরের সঙ্গে মিলিত হতে চাইছেন বলে রোববার জানিয়েছেন ট্রাম্প।


জি২০ সম্মেলন শেষে জাপানের ওসাকা থেকে শনিবার রাতে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল গিয়েছেন ট্রাম্প। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইনের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য সেখানে গিয়েছেন তিনি। এখানেই সবাইকে বিস্মিত করে পূব পরিকল্পনা ছাড়াই কিমের সঙ্গে মিলিত হওয়ার প্রস্তাব দিয়ে ওই টুইট করেন ট্রাম্প।


ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের এ সাক্ষাৎ এক বছরেরও কিছু বেশি সময়ের মধ্যে দুই নেতার তৃতীয় সাক্ষাৎ হবে এবং ভিয়েতনামের হ্যানয়ে তাদের দ্বিতীয় সম্মেলনের চার মাস পর দ্বিতীয় সাক্ষাৎ হবে। ট্রাম্প-কিমের হ্যানয় সম্মেলন নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয়ে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছিল।


রোববার সকালে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার পর এক সংবাদ সম্মেলনে দুই কোরিয়ার ব্যাপক অস্ত্রসজ্জিত সীমান্ত পরিদর্শনে থাকার সময় ডিএমজেড-এ কিম তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন কি না, এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, “আমরা দেখবো। তিনি খুব করে চান। এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। আমরা উভয়েই এটি করতে চাই।”


এ বৈঠকে স্যামসাং, হিউন্দাই মোটর, লোটে, এসকে ও পুংসান গ্রুপের প্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন।


ট্রাম্প আরও বলেন, “এটি খুব অল্প সময় স্থায়ী হবে, বস্তুত একটি হ্যান্ডশেক। কিন্তু এতেই চলবে। একটি হ্যান্ডশেক মানে অনেক কিছু।”


কিম ও তার মধ্যে ‘ভাল সম্পর্ক’ আছে বলে এ সময় জানান ট্রাম্প, কিন্তু উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচী বন্ধ করে কোরীয় উপদ্বীপে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছানো এখনো অনেক দূরের ব্যাপার বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Print