ক্যারিবীয়দের সান্ত্বনার জয়

স্পোর্টস ডেস্ক
টাইম নিউজ বিডি,
০৫ জুলাই, ২০১৯ ০৪:৩১:১৬
#

বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল আফগানিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়াতে সান্ত্বনার  কিছু পেতে উন্মুখ ছিল দুই দলই। তার প্রমাণও মিললো দুই দলের ইনিংসে।


জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেও আফগানিস্তান হেরে গেছে ২৩ রানে। ৩১২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২৮৮ রানে ‍গুটিয়ে গেছে আফগানিস্তান।


এরফলে ক্যারিবীয়রা দুটি জয় নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করলো। আর আফগানিস্তান হেরেছে সবকটিতেই। আফগানিস্তান মূল লড়াইটা চালায় রহমত শাহ ও ইকরাম আলীখিলের ব্যাটে। ৫ রানে গুলবাদিন ফিরে গেলেও রহমত আর আলী খিলের অসাধারণ ব্যাটিংয়েই মিলছিল জয়ের সম্ভাবনা। ধীরে ধীরে কক্ষপথচ্যুত হয়ে যেতে থাকে তারা এ দুজনের বিদায়ের পর।


শুরুতে দলীয় ১৩৮ রানে রহমতকে ফেরান ব্র্যাথওয়েট। বিদায় নেন ৬২ রান করে। তবে আলীখিল তখনও ছিলেন ক্রিজে। ততক্ষণে মাইলফলক স্পর্শ করেন তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ হাফসেঞ্চুরিয়ান হিসেবে। অবশ্য এই তালিকায় সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে সবার উপরে আছেন তামিম ইকবাল।


যদিও আলীখিল বেশি দূর যেতে পারেননি। ৮৬ রানে তাকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করেন ক্রিস গেইল। এরপর নাজিবুল্লাহ জাদরান ও আসগর আফগান যতক্ষণ ছিলেন তখনও সম্ভাবনা কিছুটা হলেও টিকে ছিল আফগানদের। কিন্তু নাজিবুল্লাহ ৩১ আর আসগর আফগান ৪০ রানে ফিরলে সেই সম্ভাবনাও উড়ে যেতে সময় নেয়নি। তবে শেষ দিকে শিরজাদ দ্রুত গতিতে খেললে ব্যবধান কমে আসে হারের। দ্রুত উইকেট পড়তে থাকলে আফগানিস্তান ২৮৮ রানে গুটিয়ে যায় শেষ বলে।


এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা অবশ্য হোঁচট খেয়ে শুরু করেছিল ক্যারিবীয়রা। বিশ্বকাপের পর অবসরের ঘোষণা দেওয়া আছে ক্রিস গেইলের। অথচ ইউনিভার্স বস থাকলেন বাক্সবন্দী হয়েই। দলীয় ২১ রানে বিলাসী শট খেলতে গিয়ে ফিরেছেন ৭ রানে। দাওলাত জাদরানের বলে ফেরার পর সেই ধাক্কা সামলে উঠেন এভিন লুইস ও শাই হোপ জুটি।


৮৮ রানের অসাধারণ এই জুটি ভেঙে দিয়েছিলেন লেগ স্পিনার রশিদ খান। ৫৮ রান করা লুইস বিদায় নেন নবীকে ক্যাচ দিয়ে। তাতেও ক্যারিবীয়দের চেপে ধরা যায়নি। হোপ অবশ্য আরও কিছুক্ষণ লড়াই চালিয়ে যেতে থাকেন। নতুন নামা হেটমায়ারের সঙ্গে ছোট জুটি গড়ে হুমকি হয়ে উঠলে এই ‍জুটি ভেঙে দেন দাওলাত জাদরান। ৩৯ রানে বিদায় নিতে হয় তখন হেটমায়ারকে।


ততক্ষণে স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। তবে আরও বড় স্কোরের তাড়া পেয়ে বসে তাদের। তখন বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগে হোপকে ৭৭ রানে বিদায় দেন নবী। ৯২ বলে ৭৭ রানে থামেন হোপ।


পরে স্কোরটাকে আরও সমৃদ্ধ করেন অধিনায়ক হোল্ডার ৪টি ছক্কায় ৪৫ রান করে। নিকোলাস পুরানও ছিলেন একই ভূমিকায়। ৪৩ বলে বিদায় নেওয়ার আগে করেন ৫৮ রান। শেষ ওভারে ব্র্যাথওয়েটের মিনি ঝড়ে ৪ বলে করা ১৪ রানে স্কোর ছাড়ায় ৩০০। তাতে তারা পায় ৬ উইকেটে ৩১১ রানের পুঁজি।


৭৩ রানে দুই উইকেট নেন দাওলাত জাদরান। একটি করে নেন মোহাম্মদ নবী, শিরজাদ ও রশিদ খান। ম্যাচসেরা শাই হোপ। 


 

Print