যানজট নিরসনে সমন্বিত পদক্ষেপ দরকার: ওবায়দুল কাদের

স্টাফ রিপোর্টার
টাইম নিউজ বিডি,
২২ জুন, ২০১৫ ১৮:২৪:১১
#

সড়ক যোগাযোগ ও সেতু সন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সড়ক দূর্ঘটনা ও যানজট নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন সভা সমাবেশে ভাষণ না দিয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ নিলে দূর্ঘটনা কমবে না হয় বক্তৃতা দিয়ে রাস্তার যানজট কমবে না।


সোমবার বিকেলে ৪টায় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউন্সে ট্রোমালিংক আয়োজিত  'সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা এবং অংশিদারিত্বমূলক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় করণীয়' শীর্ষক এব আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।


তিনি বলেন, ইঞ্জিনিয়ারিংভাবে আমরা জ্যামজট এবং দূর্ঘটনা কমালেও ভিআইপি ব্যক্তিদের আইন অমান্য করে ওল্টো পথে গাড়ি চালানো, অদক্ষ চালকদের ত্রুটিতে রাস্তায় জ্যাম হলে সেটার জন্য আমি একা কি করবো।


ওবায়দুল কাদের বলেন, রাস্তায় গেলে পুরো রাস্তা দখল মুক্ত আর চলে আসলেই আবার দখল। এই দখলের পিছনে আবার রাজনীতিবিদরা জড়িত। তাই রাস্তার যানজট রাজনীতিবিদদের কারণে দূর করা সম্ভব না বলে তিনি আক্ষেপ করেন।


তাই মনমানসিকতার পরিবর্তন না হলে রাস্তা ১৬ লেন করা হলেও রাস্তায় যানজট থাকবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।


আসন্ন ঈদে ঘরমুখী মানুষের নির্বিঘ্নে যাতায়াত নিশ্চিত করতে মাঠে থাকবে র‌্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সসহ পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতাদের নিয়ে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।


এছাড়া এলিভেটেট এক্সপ্রেস ২০২৪ সালের পরিবর্তে ২০১৯ সালে কাজ শেষ করা হবে বলে এবং দেশের ১৪৪ টি ব্লাক স্পট চিহ্নিত করে ১৬৫ কোটি টাকা একটি প্রকল্প পাশ করা হয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান।


এ সময় নিরাপদ সড়ক চাই’র (নিসচা) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন সড়ক দুর্ঘটনা রোধ এবং যানজট নিরসনে একাধিক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব জানান।


এর প্রেক্ষিতে সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইতোমধ্যে যানজট নিরসন ও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিবকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিগগিরি এ কমিটি বাস্তবায়ন করা হবে।


আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের সহ প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ আবুল মকসুদ।অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ট্রমালিংকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. জন মোসালেহ এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও এনজিও কর্মকর্তারা।


ইআর/এমএ


 

Print