প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র

গুদামে সংরক্ষণ করে রাখার জন্য নয় বরং প্রয়োজনে যে কোন সময় ব্যবহার করা হবে বলে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনবে তুরস্ক, বললেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোয়ান।

অবশ্য গত বছরের শেষ দিকে রাশিয়ার সঙ্গে এস-৪০০ অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চুক্তি করলেও এখনো তা হাতে পায়নি তুরস্ক। এর আগে গত ৭ জুন হুররিয়াত অজ্ঞাত কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছিল, রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ সংগ্রহ করলেও তুরস্ক যাতে তা ব্যবহার না করে সেজন্য তুর্কি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

এ সম্পর্কে একটি তুর্কি টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে এরদোয়ান বলেন, তার দেশ এস-৪০০ কিনে গুদামে রেখে দেবে না। প্রয়োজনে ব্যবহার করার জন্যই এটি কেনা হচ্ছে।

এরদোয়ান বলেন, আমেরিকার কাছ থেকে একই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার জন্য তুরস্ক বহু বছর ধরে অপেক্ষা করেছে। কিন্তু কংগ্রেসের দোহাই দিয়ে ওয়াশিংটন আঙ্কারাকে এটি দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর রাশিয়ার দ্বারস্থ হয়েছে তার দেশ।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, আমেরিকার বিপরীতে রাশিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বিক্রির ক্ষেত্রে আকষর্ণীয় প্রস্তাব দিয়েছে। এটি কেনার জন্য মস্কো আঙ্কারাকে অনেক ভালো শর্তে ঋণ দিতেও রাজি হয়েছে বলে জানান তিনি।

এর আগে গত ৮ জুন তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমান সোইলু বলেছিলেন, এই মুহূর্তে তার দেশে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে তা ঠেকানোর কোনো ব্যবস্থা আঙ্কারার হাতে নেই। কাজেই রাশিয়া থেকে এস-৪০০ এসে পৌঁছালে তা তুরস্কের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে।

তিনি আরো বলেন, যেসব দেশ প্রতিশ্রুতি দিয়েও তুরস্ককে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করতে রাজি হয়নি তারা এস-৪০০-এর কার্যকারিতার ব্যাপারে আঙ্কারাকে হতাশ করার চেষ্টা করছে।

রাশিয়ার একজন কর্মকর্তা সম্প্রতি বলেছেন, আগামী ২০২০ সালের মার্চ মাস নাগাদ এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রথম চালান হাতে পাবে তুরস্ক।

জেড