রিফাত হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার স্কুলছাত্র রাতুল তিন দিনের রিমাণ্ডে

বরগুনায় আলোচিত রিফাত হত্যাকাণ্ডের মামলায় গ্রেফতার হওয়া স্কুলছাত্র রাতুল সিকদারের তিন দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ সিরাজুল ইসলাম গাজী রাতুলের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গ্রেফতারকৃত রাতুল বরগুনার কলেজ রোড এলাকার একটি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র।

বরগুনা সদর থানার ওসি (তদন্ত) হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাতুলকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। পরে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রাতুলকে নিয়ে এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২ জুলাই ভোররাতে মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়।

আদালতে যারা স্বীকারোক্তি দিয়েছেন:

এজাহারভুক্ত তিনজনসহ এখন পর্যন্ত মোট সাত আসামি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

গত ৯ জুলাই বুধবার সন্দেহভাজন অভিযুক্ত রাফিউল ইসলাম রাব্বি রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

এর আগে গত ১ জুলাই এ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ১১ নম্বর আসামি মোঃ অলিউল্লাহ অলি ও ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা তানভীর একই আদালতে স্বেচ্ছায় রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

এরপর গত ৪ জুলাই ৪ নম্বর আসামি চন্দন ও ৯ নম্বর আসামি মোঃ হাসানও একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

৫ জুলাই একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় ফুটেজ দেখে শনাক্ত হওয়া ও তদন্তে বেরিয়ে আসা অভিযুক্ত মোঃ সাগর ও নাজমুল হাসান।

এদিকে এ মামলার দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সোমবার সকালে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রামদা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া নয়ন বন্ডের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে পুলিশের দায়ের করা দুটি মামলায় রিফাত ফরাজীকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। এ মামলার ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় ও সন্দেহভাজন অভিযুক্ত আরিয়ান শ্রাবন পাঁচ দিনের ও সাইমুন ৩ দিনের রিমান্ডে রয়েছে।

জেড